Tuesday, January 20, 2015

অনেক সময় আমাদের ফাইল অন্য কারো দ্বারা ডিলিট হয়ে যেতে পারে।আবার অনেক সময় আমরা নিজেরাও চাইনা ঐ ফাইল অন্য কেউ দেখুক। এই ফাইল লক করার অনেক রকম সফটওয়্যার পাওয়া যায়।
আবার সেই সফটওয়্যার ব্রেক করারও সফটওয়্যার পাওয়া জায়।কিন্তু এত ঝামেলাতে না গিয়ে খুব সহজেই আপনি আপনার ড্রাইভ লক করে ফেলতে পারবেন। আপনার ড্রাইভ এ ডকুমেন্ট গুলি যাতে কেউ দেখতে না পায় সে জন্য আপনি ড্রাইভ গুলি লক করে রাখতে পারেন কোন রকম সফটয়ার ছাড়া।
১) আপনার কম্পিউটার এ RUN এ গিয়ে টাইপ করুন gpedit.msc। তাহলে একটা নতুন উইন্ডো আসবে।
ঐ উইন্ডোর সবার নিচের অপশনে পাবেন Administrative Templates। তারপর সবার উপরের অপশন windows components এ ক্লিক করুন।তারপর ক্লিক করুন windows explorer এ।
অনুক্রমটা এরকম – Administrative Templates > windows components > windows explorer
২) একটা নতুন উইন্ডো আসবে। উইন্ডোতে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে enable অপশনে ok দিন। এখন আপনার কম্পিউটার এ কোন ড্রাইভ ওপেন হবে না।
৩) আপনি যদি চান শুধু C ড্রাইভটা লক করতে তাহলে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে ড্রপ ডাউন মেনু তে ক্লিক করে C ড্রাইভ সিলেক্ট করে ওকে দিন এবার দেখুন শুধু C ড্রাইভ ওপেন হবে না ।
এ ভাবে আপনার কম্পিউটারের যেকোন নির্দিষ্ট ড্রাইভ লক করে রাখতে পারেন আপনার প্রয়োজনে।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/20944/index.html#sthash.1xau5wzS.SPyXkDVL.dpuf
অনেক সময় আমাদের ফাইল অন্য কারো দ্বারা ডিলিট হয়ে যেতে পারে।আবার অনেক সময় আমরা নিজেরাও চাইনা ঐ ফাইল অন্য কেউ দেখুক। এই ফাইল লক করার অনেক রকম সফটওয়্যার পাওয়া যায়।
আবার সেই সফটওয়্যার ব্রেক করারও সফটওয়্যার পাওয়া জায়।কিন্তু এত ঝামেলাতে না গিয়ে খুব সহজেই আপনি আপনার ড্রাইভ লক করে ফেলতে পারবেন। আপনার ড্রাইভ এ ডকুমেন্ট গুলি যাতে কেউ দেখতে না পায় সে জন্য আপনি ড্রাইভ গুলি লক করে রাখতে পারেন কোন রকম সফটয়ার ছাড়া।
১) আপনার কম্পিউটার এ RUN এ গিয়ে টাইপ করুন gpedit.msc। তাহলে একটা নতুন উইন্ডো আসবে।
ঐ উইন্ডোর সবার নিচের অপশনে পাবেন Administrative Templates। তারপর সবার উপরের অপশন windows components এ ক্লিক করুন।তারপর ক্লিক করুন windows explorer এ।
অনুক্রমটা এরকম – Administrative Templates > windows components > windows explorer
২) একটা নতুন উইন্ডো আসবে। উইন্ডোতে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে enable অপশনে ok দিন। এখন আপনার কম্পিউটার এ কোন ড্রাইভ ওপেন হবে না।
৩) আপনি যদি চান শুধু C ড্রাইভটা লক করতে তাহলে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে ড্রপ ডাউন মেনু তে ক্লিক করে C ড্রাইভ সিলেক্ট করে ওকে দিন এবার দেখুন শুধু C ড্রাইভ ওপেন হবে না ।
এ ভাবে আপনার কম্পিউটারের যেকোন নির্দিষ্ট ড্রাইভ লক করে রাখতে পারেন আপনার প্রয়োজনে।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/20944/index.html#sthash.1xau5wzS.SPyXkDVL.dpuf
অনেক সময় আমাদের ফাইল অন্য কারো দ্বারা ডিলিট হয়ে যেতে পারে।আবার অনেক সময় আমরা নিজেরাও চাইনা ঐ ফাইল অন্য কেউ দেখুক। এই ফাইল লক করার অনেক রকম সফটওয়্যার পাওয়া যায়।
আবার সেই সফটওয়্যার ব্রেক করারও সফটওয়্যার পাওয়া জায়।কিন্তু এত ঝামেলাতে না গিয়ে খুব সহজেই আপনি আপনার ড্রাইভ লক করে ফেলতে পারবেন। আপনার ড্রাইভ এ ডকুমেন্ট গুলি যাতে কেউ দেখতে না পায় সে জন্য আপনি ড্রাইভ গুলি লক করে রাখতে পারেন কোন রকম সফটয়ার ছাড়া।
১) আপনার কম্পিউটার এ RUN এ গিয়ে টাইপ করুন gpedit.msc। তাহলে একটা নতুন উইন্ডো আসবে।
ঐ উইন্ডোর সবার নিচের অপশনে পাবেন Administrative Templates। তারপর সবার উপরের অপশন windows components এ ক্লিক করুন।তারপর ক্লিক করুন windows explorer এ।
অনুক্রমটা এরকম – Administrative Templates > windows components > windows explorer
২) একটা নতুন উইন্ডো আসবে। উইন্ডোতে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে enable অপশনে ok দিন। এখন আপনার কম্পিউটার এ কোন ড্রাইভ ওপেন হবে না।
৩) আপনি যদি চান শুধু C ড্রাইভটা লক করতে তাহলে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে ড্রপ ডাউন মেনু তে ক্লিক করে C ড্রাইভ সিলেক্ট করে ওকে দিন এবার দেখুন শুধু C ড্রাইভ ওপেন হবে না ।
এ ভাবে আপনার কম্পিউটারের যেকোন নির্দিষ্ট ড্রাইভ লক করে রাখতে পারেন আপনার প্রয়োজনে।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/20944/index.html#sthash.1xau5wzS.SPyXkDVL.dpuf
অনেক সময় আমাদের ফাইল অন্য কারো দ্বারা ডিলিট হয়ে যেতে পারে।আবার অনেক সময় আমরা নিজেরাও চাইনা ঐ ফাইল অন্য কেউ দেখুক। এই ফাইল লক করার অনেক রকম সফটওয়্যার পাওয়া যায়।
আবার সেই সফটওয়্যার ব্রেক করারও সফটওয়্যার পাওয়া জায়।কিন্তু এত ঝামেলাতে না গিয়ে খুব সহজেই আপনি আপনার ড্রাইভ লক করে ফেলতে পারবেন। আপনার ড্রাইভ এ ডকুমেন্ট গুলি যাতে কেউ দেখতে না পায় সে জন্য আপনি ড্রাইভ গুলি লক করে রাখতে পারেন কোন রকম সফটয়ার ছাড়া।
১) আপনার কম্পিউটার এ RUN এ গিয়ে টাইপ করুন gpedit.msc। তাহলে একটা নতুন উইন্ডো আসবে।
ঐ উইন্ডোর সবার নিচের অপশনে পাবেন Administrative Templates। তারপর সবার উপরের অপশন windows components এ ক্লিক করুন।তারপর ক্লিক করুন windows explorer এ।
অনুক্রমটা এরকম – Administrative Templates > windows components > windows explorer
২) একটা নতুন উইন্ডো আসবে। উইন্ডোতে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে enable অপশনে ok দিন। এখন আপনার কম্পিউটার এ কোন ড্রাইভ ওপেন হবে না।
৩) আপনি যদি চান শুধু C ড্রাইভটা লক করতে তাহলে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে ড্রপ ডাউন মেনু তে ক্লিক করে C ড্রাইভ সিলেক্ট করে ওকে দিন এবার দেখুন শুধু C ড্রাইভ ওপেন হবে না ।
এ ভাবে আপনার কম্পিউটারের যেকোন নির্দিষ্ট ড্রাইভ লক করে রাখতে পারেন আপনার প্রয়োজনে।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/20944/index.html#sthash.1xau5wzS.SPyXkDVL.dpuf
অনেক সময় আমাদের ফাইল অন্য কারো দ্বারা ডিলিট হয়ে যেতে পারে।আবার অনেক সময় আমরা নিজেরাও চাইনা ঐ ফাইল অন্য কেউ দেখুক। এই ফাইল লক করার অনেক রকম সফটওয়্যার পাওয়া যায়।
আবার সেই সফটওয়্যার ব্রেক করারও সফটওয়্যার পাওয়া জায়।কিন্তু এত ঝামেলাতে না গিয়ে খুব সহজেই আপনি আপনার ড্রাইভ লক করে ফেলতে পারবেন। আপনার ড্রাইভ এ ডকুমেন্ট গুলি যাতে কেউ দেখতে না পায় সে জন্য আপনি ড্রাইভ গুলি লক করে রাখতে পারেন কোন রকম সফটয়ার ছাড়া।
১) আপনার কম্পিউটার এ RUN এ গিয়ে টাইপ করুন gpedit.msc। তাহলে একটা নতুন উইন্ডো আসবে।
ঐ উইন্ডোর সবার নিচের অপশনে পাবেন Administrative Templates। তারপর সবার উপরের অপশন windows components এ ক্লিক করুন।তারপর ক্লিক করুন windows explorer এ।
অনুক্রমটা এরকম – Administrative Templates > windows components > windows explorer
২) একটা নতুন উইন্ডো আসবে। উইন্ডোতে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে enable অপশনে ok দিন। এখন আপনার কম্পিউটার এ কোন ড্রাইভ ওপেন হবে না।
৩) আপনি যদি চান শুধু C ড্রাইভটা লক করতে তাহলে prevent access to drives from my computer ক্লিক করে ড্রপ ডাউন মেনু তে ক্লিক করে C ড্রাইভ সিলেক্ট করে ওকে দিন এবার দেখুন শুধু C ড্রাইভ ওপেন হবে না ।
এ ভাবে আপনার কম্পিউটারের যেকোন নির্দিষ্ট ড্রাইভ লক করে রাখতে পারেন আপনার প্রয়োজনে।
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/20944/index.html#sthash.1xau5wzS.SPyXkDVL.dpuf

Monday, January 19, 2015

A to Z Technology
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আসসালামু আলাইকুম। টেকটউনসে এটি আমার প্রথম পোষ্ট, তাই কোন প্রকার ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন । আজকের আমার এই পোষ্টটি মূলত যারা কম্পিউটার এডভান্সড  লেভেল হার্ডওয়্যার এর কাজ শিখতেছেন বা শিখতে চাচ্ছেন তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন । কম্পিউটার মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক, ডিভিডি, ল্যাপটপ ইত্যাদির সার্ভিসিং করতে হলে অনেক সেমেটিক লেংগুয়েজ জানতে হয়ে , কারন সার্কিট ডায়াগ্রামে বিস্তারিত লেখা  থাকে না। আজকের এই পোষ্ট তা-ই নিয়ে। পোষ্টের ছবিটি ঝুম করে দেখলে বুঝতে পারবেন যে এই পোষ্টের গুরুত্বটা কেমন? আর কথা না বাড়িয়ে এখন কাজে নেমে পড়ি।
atoztechnology
Asus-A3H-laptop-motherboard-schematic-diagram
1  AC - Alternating current
2  ACDRVAC - adapter to system - switch driver output
3  ACGOOD - Valid adapter detect active-low open - drain logic output
4  ACN - Adapter current sense negatif
5  ACP - Adapter current sense positif
6  ACOP - Input Over - Power Protection
7  ACOV - Input Overvoltage Protection
8  ACP - Adapter current sense resistor , positive input .
9  ALWP - Always on power +B : Ac power rail or bat for power circuit
10  BATT - BATTERYBOM : BILL OF MATERIALS MANAGEMENT
11  BT - Buttonchgen : Charge active-low enable input logic
12  CIN - Input Capacitor
13  CLK_EN - Clock enable
14  CON - Conector
15  CRT - Cathode ray tube
16  DC - Direct current17  DM - DIM / DIM SOCKET / SOCKET MEMORY / JACK
18  DDRDOCK - Docking socket
19  EMI - Electromagnetic Interference ( Electromagnetic interference )
20  F - FUSE
21  FSEL - Frequency Select Input
22  GND - Ground
23  GP - GROUND PIN
24  HDMI - High - Definition Multimedia Interface
25  CID - Continuous Drain CurrentI
26  DM - Pulsed Drain Current
37  IN ( SHDN ) - Shutdown Supply Current
38  IIN - Operating Supply CurrentI
39  IIN - ( STBY ) Standby Supply Current
30 IS - Continuous Source Current ( Diode Conduction )
31  Ivin - Battery Supply Current at VIN pin
32  JP - Jumper point
33  LCDV - LCD Powerl
34  GATE- Lower -side MOSFET gate signal
35  LPC Low Pin Count
36  LVDS - Low - voltage differential signaling ( SYSTEM PENSIGNALAN )
47  MBAT - MAIN BATTERY
48  ODD - OUTPUT DISC DRIVE
49  PCI - Peripheral Component Interconnect
40 PGOOD - Power good open - drain output
41  PIR - IMPROVED PRODUCT RECORDPSI # : Current input indicator
42  PVCC - positive power supply
43  ICRTC - Real time clock
44  TD - Death TimeTHRM : Thermal sensor
45  TMDS - Transition Minimized Differential Signaling ( Data Transmissions technology )
46  TP - Test Point
57  TPAD - Thermal pad
58  UVLO - Input undervoltage lock -out
59  V - VOLTAGE
50  +V - pwr more(+3 v=more than 3 volt) VADJ :Output voltage regulation
51  VALW - Always on power
52  VALWP - VALW PADVBAT : Battery power
53  VCCP - power chip ( ich , graphic chips )
54  VCORE - POWER processors ( vCPU )
55  VDD - control power supply
56  VDDR - POWER DDR ( VDRAM / VRAM / Vmem )
57  VDS - DRAIN SOURCE VOLTAGE
58  VFB - feedback inputs Power
59  VGS - Gate voltage source
60  SVIN - Input Voltage Range
61  VIN - Adapter power supply ( vol_in )
62  VL - Power Lock
63  VL - voltage across the load / resistor load voltage
64  VLDOIN - Power supply of the VTT and VTTREF output stage (to Powermos)
65  VOT - Volt_out
66  VRAM - Power Random acses memory
67  VREF - POWER REFERENCES / SCHEMA REFERENCE / DEMAND
68  SCHEMEVS - SUITCH POWER/voltage on switch
69  VS + - Voltage support
70  VSB - Power switch button
71  VSS - Signal ground
72  VSW - POWER SWICT
73  VUSB - USB POWER/voltage USB
74  VVGA - POWER VGA ( VGPX / VGPU / VCVOD
পরবর্তী টিউনে দেখাবো সার্কিট কম্পোন্ট কোড। সে পর্যন্ত সঙ্গে থাকুন।
কোন কিছু জানতে হলে কমেন্ট করুন। কম্পিউটার ল্যাপটপ হার্ডওয়্যার জনিত যে কোন প্রকার সমস্যার জন্য আমাকে প্রশ্ন করুন।  উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব । ইনশাআল্লাহ।

Wednesday, January 14, 2015

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন আপনারা সবাই? আজকে আমি আপনাদের কিছু ফায়ারফক্স অ্যাডঅন দিব যা আপনাদের কাজে লাগতে পারে।তো এখন যেটা পছন্দ হয় তা ফায়ারফক্সে অ্যাড করে ফেলেন।

১. Zenmate :  এটা দিয়ে খুব সহজে আইপি হাইড করতে পারবেন। ৫ টি জায়গার আইপি নিতে পারবেন।
২. Anonymox : Zenmate এর মতো এটাও একটি আইপি হাইডার।
৩. Add Block Plus : অপ্রয়োজনীয় অ্যাড বন্ধ করে।
৪. World Of Trust : ওয়েবসাইট নিরাপদ কিনা চেক করে।
৫. Ghostery : ট্রেকার বন্ধ রাখবে।
৬. Down Them All! : চরম একটা ডাউনলোড ম্যানেজার ।
৭. Right To Click : যেই সাইট গুলোতে রাইট ক্লিক অফ সেগুলোতে রাইট ক্লিক করতে পারবেন।
৮. Web Developer : ওয়েবসাইট ডেভেলাপ করা অনেক সহজ করে দিবে।
৯. Google Translator : যেকোনো ভাষায় অনুবাদ করে নিন ওয়েবসাইট।
১০. MultiFox : অনেক অ্যাকাউন্ট ব্রাউজ করবেন লগআউট ছাড়া।
১১. Febe : ব্যাকআপ থাকবে ফায়ারফক্সের সব কিছু।
১২. LightBeam : হ্যাকাররা নিতে পারেন।
১৩. English-Bangla Dictionary : সহজে জানতে পারবেন শব্দের অর্থ।
১৪. Fireshot : ওয়েবপেজ PDF/Image আকারে সেভ করতে পারবেন।
১৫. Fast Dial : স্পীড ডায়াল হবে বিশাল বড়।
১৬. FireBug : সহজে ওয়েবপেজ এডিট করুন ।
১৭. FlagFox : ওয়েবসাইটের IP Adress,Domain name এবং Server-Location জানতে পারবেন।
১৮. 1 Click YT Video Download : ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করুন বিভিন্ন ফরম্যাটে।
১৯. Flash Video Download : যেকোনো ফ্ল্যাশ ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন।
২০. F.B. Purity : দ্রুত ফেচবুক ব্রাউজ করতে পারবেন।
২১. Google Text 2 Speech : সিলেক্ট করা শব্দ পরে শোনাবে।
২২. QrCodeR : যেকোনো লিঙ্ক/টেক্সটের QR কোড তৈরি করতে পারবেন।

Free Internet Download Managerআগের পোস্টিতে অমি ল্যাটেস্ট উইন্ডোজ & অফিস এক্টিভেটর শেযার করেছিলাম৷আজকে আমি শেযার করতে যাচ্ছি IDM-7.1. এটি Fully and Pre activated. তাই আপনাকে এটির রেজিস্ট্রেশন নিযে কোনো চিন্তা করতে হবে না৷ আপনি ডাউনলোড এবং ইনস্টল করার মাধ্যমে কোনো সমস্যা ছাড়াই আজীবনের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন৷তাও আবার সম্পুর্ণ ফ্রিতে৷
Download Now

Download IDM-7.1

IDM-7.1 সফ্টওয়ারটি উপরের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন  এটি অপনার পিসিতে ইনস্টল করার জন্য৷সফ্টওয়ারটি মাত্র ৩.৪ MB৷
  • IDM-7.1 সফ্টওয়ারটি ডাউনলোড করার পর ফোল্ডারটি আনজিপ করুন৷
  • এখন IDM_7.1_Full_Setup.exe এ ডাবল ক্লিক করে ইন্সটল করুন
এই সফ্টওযারটির ইনস্টল পদ্ধতি অন্য সকল সফ্টওযারের মতোই৷
Note: If you copy any download link, IDM will automatically take the URL from clipboard.

Saturday, January 10, 2015

জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্সের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে নতুন নতুন বিভিন্ন বৈশিষ্ট যোগ করার ব্যবস্থা। মুক্ত এবং ফ্রি এই ব্রাউজারের গতি বাড়িয়ে নিতে ম্যানুয়ালী কিছু কনফিগার করে নিতে পারেন। এজন্য এড্রেসবারে about:config লিখে এন্টার করুন, তাহলে ফায়ারফক্স কনফিগারেশন আসবে।
এখন network.http.pipelining এর মান true দিন (Preference এর উপরে মাউস দ্বারা দুইবার ক্লিক করলেই false থেকে true হবে)। একই ভাবে network.http.proxy.pipelining, network.dns.disableIPv6 এবং plugin.expose_full_path এর মান true নির্ধারণ করুন। এছাড়াও network.http.pipelining.maxrequests এর মান ৪ এর পরিবর্তে ৮ দিন।
এবার nglayout.initialpaint.delay নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ০। Preference তৈরী করতে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে New এ ক্লিক করুন এবং ডান থেকে String/integer/boolean নির্বাচন করুন, এরপরে Preference এর নাম লিখে Ok করুন এবং পরবর্তি উইন্ডোতে ভ্যালু লিখে বা নির্বাচন করে Ok করুন।
একই ভাবে content.notify.backoffcount নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ৫, ui.submenuDelay নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ০, content.max.tokenizing.time নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 2250000, content.notify.interval নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 750000, browser.cache.memory.capacity নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 65536|
এবার content.interrupt.parsing এবং content.notify.ontimer নামে নতুন বুলিয়েন Preference তৈরী করুন এবং মান true দিন। ব্যাস এবার দেখুন ফায়ারফক্সের গতি আগের তুলনায় বেড়েছে।
প্রিয় বন্ধুরা!
আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি একটি মজাদার ট্রিক্স যা দিয়ে আপনি বন্ধু অথবা শুভাকাঙ্খীদের সাথে মজা করতে পারবেন একই সাথে তাদেরকে সাময়িক ঝামেলায় ফেলে দিতে পারবেন। এটাকে একটা ক্ষুদ্র ভাইরাস ও বলা যেতে পারে।
কোন কম্পিউটারে এ ট্রিক্সটির অ্যাপ্লাই করা হলে আপনি প্রতিবার কম্পিউটারটি স্টার্ট হওয়ার পর (অর্থাত উইন্ডোজ লগঅন হওয়ার পর) ব্যবহারকারী কিছু বোঝার আগেই তা অটোমেটিক আবার শাটডাউন হয়ে যাবে । আর এজন্য কোন সফটওয়্যার এর প্রয়োজন নাই।

তে চলুন জেনে নেই কিভাবে এটি করতে হবে

  • ১. Start বাটনে click করুন। এখান থেকে All Programs এ গিয়ে নিচের দিকে scroll করে “Startup” নামক  folder টি খুজে বের করুন।
  • ২. এবার “Startup” নামক  folder টির উপর কার্সর রেখে রাইট ক্লিক করে Open সিলেক্ট করুন। folder টি একটি নতুন উইন্ডোতে Open হবে।
  • ৩. এবার “Startup” নামক  folder টির মধ্যে ফাকা স্থানে রাইট ক্লিক করে New>Shortcut সিলেক্ট করুন। এবার আপনি Create Shortcut নামে একটি উইন্ডো দেখতে পারবেন।
  • ৪. এই উইন্ডোটির মধ্যে একটি টাইপ বক্স আছে। এই বক্সে আপনি নিচের লেখাটি কপি করে পেস্ট করে দিন:
  • C:\Windows\System32\logoff.exe
  • (যে কম্পিউটারে করবেন তাতে যদি Windows “C” ড্রাইভ ব্যাতীত অন্য কোন ড্রাইভে থাকে তাহলে উপরোক্ত লেখায় C এর বদলে সেই ড্রাইভ লেটারটি ব্যবহার করতে হবে বাকী সব অপরির্বতিত থাকবে।)
  • ৫. এবার আপনি উইন্ডোটির নিচ থেকে প্রথমে Next এ ক্লিক করুন তারপর আবার Finish এ ক্লিক করুন। দেখুন folder টির মধ্যে logoff.exe নামে একটি  Shortcut তৈরি হয়েছে।
  • ৬. ব্যাস! আপনার কাজ শেষ। এবার সকল উইন্ডো ক্লোজ করে পিসি রিস্টার্ট দিন আর মজা দেখুন।
  • ৭. আপনার পিসিতে এটি অ্যাপ্লাই করলে আপনি আর নরমাল মুডে পিসি চালাতে পারবেন না যতক্ষন না ঐ Shortcut টি ডিলিট না হবে । সেক্ষেত্রে যা করতে হবে:
    • ক) আপনার পিসিটি Safe Mode এ চালু করুন। দেখতে পারবেন যে Safe Mode এ এটি কাজ করে না।
    • খ) এবার  Safe Mode এ থাকা অবস্থায়  “Startup” folder টি ওপেন করুন। এবার এর মধ্যে থেকে logoff.exe নামক Shortcut টি ডিলিট করে দিন। এবার পিসি রির্স্টাট দিয়ে নরমাল মুডে চালু করুন, দেখুন সব ঠিক হয়ে গেছে।
ট্রিক্সটি এমন যে এটি অ্যাপ্লাই করলে এর ফলাফল দেখে কেউ সহজে বুঝতে পারবে না যে আসলে কি হয়েছে। প্রক্রিয়াটি যে জানে না তার কাছে মনে হবে যে পিসি তে ভাইরাস আক্রমন করেছে, কিন্তু আসলে তা নয়। ফলাফল দেখে বিরক্ত হয়ে অনেকে হয়ত বা নতুন করে পিসি সেটাপ ও দিতে পারে সেটা হবে আরও মজার।
তবে একটি কথা, কখনও সাইবার ক্যাফের পিসিতে এই ট্রিক্স প্রয়োগ করবেন না তাতে তাদের সাময়িক ব্যবসায়িক ক্ষতি হতে পারে যেটা আমাদের কাম্য নয়।
ভাল থাকবেন সবাই আর টিউনটি কেমন লাগল জানাবেন।

Monday, January 5, 2015

একবার ভাবুনতো যখন মাউস ছিলোনা তখন মানুষ কীভাবে কম্পিউটার চালাতো। এখনতো আমরা মাউস ছাড়া কম্পিউটার চালানোর চিন্তা মাথায় আনতেই পারি না। আমি আমার অনেক বন্ধুকে দেখেছি সামান্য কাজ যেটা কীবোর্ড দিয়ে করলে দ্রুত করা যায় সেটা মাউস দিয়ে করে। অনেকে তো খালি ফাইল/ফোল্ডার রিনেম করা ছাড়া কীবোর্ড ব্যাবহার করতেই চাননা। তাই আমি আমার সীমিত জ্ঞান দিয়ে শুধুমাত্র কীবোর্ড দিয়ে কম্পিউটার চালনা পদ্ধতি শেয়ার করছি।
কীবোর্ডের নিচের সারিতে দেখুন উইন্ডোজের লোগো সম্বলিত একটি কী আছে। একে উইন কী বলে। এই winkey+E চেপে উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার ওপেন করা যায়। এরকম উইন কী –র কয়েকটি শর্টকাট হলোঃ
শর্টকাটফলাফল
Winkey+Fসার্চ
Winkey+Rরান
Winkey+Uইউটিলিটি ম্যানেজার
Winkey+Dডেস্কটপের সকল উইনোড মিনিমাইজ(২য় বার চাপলে পুনরায় ম্যাক্সিমাইজ হবে।)
Winkey+Lডেস্কটপ লক
Winkey+Mডেস্কটপের সকল উইনোড মিনিমাইজ
আপডেটঃ মিনহাজুল হক শাওন  ভাইয়ের সৌজন্যে আরও কিছু শর্টকাট নিচে দেওয়া হলোঃ

F1 = Help
F2 = Rename
F3 = Search (Any app, browser)
F4 = Navigate cursor to address bar
F5 = Reload (browser) or Refresh
Shift + F10 = Context menu
Ctrl + Shift + Esc = Task Manager
Win+Pause = System Properties
Win+G = Desktop Gadgets
Win+Tab = Toggle open windows
এবার চলুন একটি উইন্ডোর মেনুবার কীবোর্ড দিয়ে ব্যাবহার করতে শিখি। আপনি যদি উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার এর মেনু বার (file, edit etc.) নিম্নের মত থাকে।
এবার কীবোর্ডের Alt বাটন চাপলে নিম্নের মতো করে দেখাবে।

ভালোভাবে দেখুন প্রতিাটি মেনুতে একটি করে letter এ আন্ডালাইন(_) আছে। যেমন File এর F  এ। এর মানে আপনি Alt+আন্ডারলাইনকৃত লেটার প্রেস করলে ঐ মেনু দেখা যাবে। যেমন View মেনুর জন্য Alt+V
মেনুতো ওপেন হলো। এবার দেখুন কয়েকটি শব্দের letter নিচে আন্ডালাইন(_)আছে। তবে এবার শুধুমাত্র আন্ডারলাইনকৃত  letter চাপলে ঐ কাজটি হবে। আর আপডাউন করার জন্য অ্যারো কী তো আছেই।
এবার উইন্ডো ক্লোজ করা সম্পর্কে জানি। Alt+F4 চেপে যে কোনো উইন্ডো ক্লোজ করা যায় এটা আমরা অনেকেই জানি। আরও একটি পদ্ধতি আছে। এ পদ্ধতিতে উইন্ডো ক্লোজ,মিনিমাইজ,মুভ, রেস্টোর ও ম্যাক্সিমাইজ করা যায়। এটা হচ্ছে টাস্কবার থেকে রাইট বাটন প্রেস করার বিকল্প। এজন্য Alt+স্পেস বার(space bar) চাপুন। দেখন বাম পাশের কর্ণারে একটি মেনু এসেছে। আগের মতই আন্ডারলাইনকৃত letter টি প্রেস করলে সেই অনুযায়ী কাজ হবে।  যেমন ক্লোজ করার জন্য Alt+Space+C ।

আমরা আবার ফাইল পেনড্রাইভে সেন্ড করতে পছন্দ করি। এজন্য ফাইলটি সিলেক্ট করে Space Bar এর ডান পাশে অবস্থিত Ctrl, Alt এর মাঝে একটি Contex Menu কী আছে। এটি চাপুন। এরপর নিচের চিত্রটা দেখুন।

ফাইল সম্পাদনার কয়েকটি কমান্ড(কমবেশি সবাই জানেন):
শর্টকাটফলাফল
Ctrl+Cকপি
Ctrl+Xকাট
Ctrl+Vপেস্ট
Ctrl+Fফাইন্ড/সার্চ
Alt+Enterফাইল/ফোল্ডার প্রোপারটিজ
এবার আমি কী করে কীবোর্ড দিয়ে মাউস  কিবোর্ড দিয়ে ব্যাবহার করতে হয় তা বলব।(ইতপূর্বে অবশ্য এ নিয়ে বেশ কয়েকটি টিউন হয়েছে। তারপরও আমি আমার নিজের মত করে টিউনটি করছি। এখানে আমি কারেও লেখা বা স্ক্রিনশট কপি-পেস্ট করছি না)
নিচের পদ্ধতিটা আমাদের কারও মাউস নেই ধরে করতেছি।
প্রথমে উইন কি প্রেস করে স্টার্ট মেনু ওপেন করুন। এবার Settings থেকে Control Panel এ যান। এবার Accessibility Option সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন। নিচের উইন্ডে ওপেন হবে।

এবার কয়েকবার Tab বা Shift+Tab একবার চাপলে নিচের চিত্রের মতো Keyboard লেখায় বক্স পাওয়া যাবে।

এবার কীবোর্ডের রাইট এরো কী চেপে Mouse ট্যাবে আসুন। Alt+M প্রেস করে Use MouseKeys সিলেক্ট করুন। কেনো M চাপতে বলা হলো নিশ্চই উপরের লেখা থেকে বুঝতে পেরেছেন।

এবারে অ্যাপ্লাই করার জন্য Alt+A চাপুন। এবং সবশেষে Enter চেপে বেড়িয়ে আসুন। কাজাটি সফল করতে পারলে সীস্টেম ট্রেতে একটি মাউস এর আইকন দেখতে পারবেন।

কীবোড দিয়ে মাউস ব্যাবহার করার জন্য নিউমিরিক প্যাড ব্যাবহার করতে হবে। নিউমারিক প্যাড এর কোন কী কোন ডিরেকশনে ব্যাবহার হবে তা নিচে দেওয়া হলো।
কীডিরেকশন/ব্যবহার
1Left-down
2Down
3Right-down
4Left
5Single click
6Right
7Up-left
8Up
9Up-right
-Right button selected( 5 to right click)
/Left Button selected ( 5 to left click)
+Double click
Num LockMouseKeys on/off
উপরের কীগুলো অনুযায়ী কাজ করলে আর মাউস লাগবে না। এটি আপনি আপনার কোন বন্ধুকে দেখিয়ে তাক লাগাতে পারেন।
কম্পিউটার বন্ধ করতে কীবোর্ডের Power বাটন চাপলেই হবে।

আপডেট:

এবার আসুন আমরা স্টিকি কী সম্পর্কে জানি। স্টিকি কী অন থাকলে Ctrl, Alt, Shift ও Winkey বাটনগুলো এক/দুইবার প্রেস করলেই কীগুলো স্টিকি হয়ে যায়। । অর্থাৎ আপনকে ঐ কী চেপে না ধরলেও চলে।
স্টিকি কীগুলো অন করার জন্য দ্রুতার সাথে Shift পাঁচবার চাপুন। তাহলে যে উইন্ডে দেখতে পারবেন সেখান থেকে স্টিকি কী অন রাখার জন্য Ok বাটনে ক্লিক করুন বা এন্টার চাপুন। তাহলে টাস্কবারের সিস্টেম ট্রেতে একটি  আইকন দেখতে পারবেন।
এবার মনে করুন আপনি Ctrl+U চাপবেন। কিন্তু আপনার কীবোর্ডের উপর অতটা দক্ষতা নেই। তাই আপনাকে Ctrl চেপে ধরে থেকে  U খুজে বের করতে হয়, যা অনেকসময় বিরক্তিকর। স্টিকি কী অন থাকলে Ctrl একবার প্রেস করলেই প্রেস হয়ে থাকে। এরপর আপনি আরাম করে U চাপতে পারেন। এটা Alt, Shift ও Winkey-র ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। স্টিকি কীগুলো ২ বার চপলে একসাথে আরেকবার না চাপা পর্য়ন্ত অন হয়ে থাকে।  এর সুবিধা হলো, মনে করুন আপনি একাধিক ফাইল একসাথে সিলেক্ট করবেন । এজন্য স্টিকি কী অন রেখে Ctrl দুইবার চাপুন। এবার ফাইল গুলোতে ক্লিক করুন বা অ্যারো কী দিয়ে ব্রাউজ করে ফাইল নির্বচন করে Space  Bar চাপুন। কাজ শেষ হয়ে Ctrl একবার চাপুন। স্টিকি কী বন্ধ করতে পুনরায় দ্রুততার সাথে ৫বার Shift চাপুন।